মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

রামুতে অস্ত্রসহ দুই শীর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের সিবাতলী গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশিয় তৈরী একনলা বন্দুক (অস্ত্র) উদ্ধার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা গ্রামের মৃত সোলতান আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (৩০) ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের মৃত মো. ইসলামের ছেলে আবু নয়ন ওরফে সোনা মিয়া (৩৩)।
অভিযানে উপস্থিত গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) জুয়েল বড়–য়া ও মো.কাউসার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পাহাড়ী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল- এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। তাঁরা রামুর পূর্বাঞ্চলের ত্রাস হিসাবে পরিচিত। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে রামু থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা রুজু করেছে।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) কাজি আরিফ উদ্দিন বলেন, আবদুর রহিম ও সোনা মিয়া উপজেলার শীর্ষ ডাকাত। রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় রহিমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, বন এবং অপহরণ মিলিয়ে ১৫টি আর সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে। অনেক প্রচেষ্টা চালিয়ে এদেরকে পুলিশের জালে আটকানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আবদুর রহিম ও সোনা মিয়া ৪০জনের একটি ডাকাত সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন। আগে এই দলের নেতৃত্ব দিত গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা গ্রামের হাজী ইসলামের ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ শাহীন। শাহীন বর্তমানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে হাজতবাস করছে। স্থানীয়দের ধারণা গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাধ করা হলে অপরাধ জগৎ এর অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে।

শেয়ার করুন