মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে সালাহ উদ্দিন মাহমুদের অভিনন্দন

শেয়ার করুন


কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান, বীরমুক্তিযোদ্ধ, বিএলএফ কমন্ডার, প্রাক্তন সংসদ সদস্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এ এইচ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ নেতা, প্রাক্তন সংসদ সদস্য ও সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও নির্বাচনে জড়িতদেরকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
সংবাদপত্রে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এ এইচ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে অভিনন্দন জানান। বিবৃতিতে তিনি কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে ভোটারেরা জনাব মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে বেছে নেওয়ায় ভোটারদেরকেও ধন্যবাদ জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন, মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে জেলা পরিষদের বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়িত হবে। সাথে সাথে জেলাবাসীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক উন্নয়নে আরো ব্যাপক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন সমাপ্ত করায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সাথে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনি, নির্বাচনে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণকেও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ায় ধন্যবাদ জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে জেতানোর জন্য জেলার চারজন সংসদ সদস্য ভোটাদেরকে চাপপ্রয়োগ করে, আর্থিক সুবিধা প্রদানসহ নগদ টাকার বিনিময়ে ভোটারদেরকে প্রভাবিত না করলে ভোটের ফলাফল অন্যরকম হতো। কিন্তু ভোটারদের উপর সংসদ সদস্যগণের অবৈধ চাপ প্রয়োগ এবং কালো টাকা ভোটের ফলাফলকে মারাতœক ভাবে প্রভাবিত করেছে। এতে করে জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়ার লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে বাধাগ্রস্থ করেছে।
কালো টাকা, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও হাইব্রিড নেতারা কিভাবে ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে তা টেকনাফ উপজেলা পরিষদ ভোট কেন্দ্রের দিকে দেখলেই অনুমান করতে অসুবিধা হয় না। উত্ত কেন্দ্রে ৮১টি ভোটের মধ্যে ৮১টি ভোটই প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে পড়েছে। ভবিষ্যতে যে কোনো নির্বাচনে এধরণের নেতাদের প্রভাব গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্থ করবে। ফলে এদের ব্যাপারে সচেতন ও সাবধান থাকা অপরিহার্য।

শেয়ার করুন