মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

মিয়ানমারে গুলিবিদ্ধ এক রোহিঙ্গা টেকনাফে নিহত

শেয়ার করুন

মিয়ানমারে সেনার গুলিতে আহত শাহ আলম (৪৫) নামে এক রোহিঙ্গা ১৯ ডিসেম্বর টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মারা গেছেন। টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনকালে শাহ আলমের লাশ লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘এ’ ব্লকে ১০৬ নম্বর কক্ষে ছোট বোন রমিজার আশ্রয়ে দেখা গেছে।
শাহ আলমের সাথে পালিয়ে আসা খালাত বোন ফাতেমা বেগম (৪৮) জানান ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মিয়ানমার আরকান রাজ্যের মংডু টাউনশীপের আওতাধীন মাংগালা গ্রামের বাসিন্দা ছৈয়দুল আমিনের পুত্র শাহ আলম (৪৫) মিয়ানমারে সেনার গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাঁর বাম বুকে গুলি লাগে। এঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছে। সেখানে চিকিৎসার অভাব ও বাহিনীদের হামলায় সর্বস্ব হারিয়ে অন্যান্য রোহিঙ্গাদের সাথে গুলিবিদ্ধ শাহ আলমকে নিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। এখানে এসেও শেষ রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশে ঢুকে আগে থেকে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাসরত রমিজা বেগমের বাসায় পৌঁছে ১৯ ডিসেম্বর ভোর রাতে। সকালে চিকিৎসার আগেই শাহ আলম বোনের বাসায় মারা যান।
লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘এ’ ব্লকে ১০৬ নম্বর কক্ষের বাসিন্দা নিহত শাহ আলমের ছোট বোন রমিজা বেগম জানান শাহ আলমের ৮ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছে। মা-বাবা, ভাই-বোন ও আতœীয়-স্বজন সকলে এখনও মিয়ানমারে। ভাবী মাজুমা খাতুন সন্তান প্রসব করায় সাথে আসতে পারেননি। খালাতো বোন ফাতেমা বেগমকে নিয়ে পালিয়ে এসেছেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর প্রচুর রক্তক্ষরণে ও বিনা চিকিৎসায় শাহ আলম মারা যায়। ##

শেয়ার করুন