১২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ২৮ পৌষ, ১৪৩২ | ২২ রজব, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে   ●  উখিয়া–নাইক্ষংছড়িতে আলোচিত মাদক ও জাল টাকা মামলার সংশ্লিষ্টদের প্রকাশ্য প্রচারণা নিয়ে প্রশ্ন   ●  আ.লীগের বদি’র ক্যাশিয়ার দশবছর পর ফিরলেন বিএনপিতে   ●  অসহায় শিশুদের জন্য শীতকালীন বস্ত্র উপহার দিল স্টুডেন্টস’ প্ল্যাটফর্ম   ●  মানবিক কাজে বিশেষ অবদান; হাসিঘর ফাউন্ডেশনকে সম্মাননা প্রদান   ●  দুই দিন ধরে নিখোঁজ প্রবাল নিউজের প্রতিবেদক জুয়েল হাসান, থানায় জিডি   ●  গ্রামে গ্রামে আনন্দের স্রোত   ●  সিবিআইউ’র আইন বিভাগের ১৭তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন   ●  ক্ষোভ থেকে হত্যার ছক আঁকেন অপরাধী চক্র

মাদকে নির্মলের ভাগ্য বদল, দুদকের মামলা

কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার দক্ষিণ হ্নীলা বাজার পাড়ার মৃত ফকির চন্দ্র ধরের পুত্র নির্মল ধর (৬৬)।  এলাকায় তার নিজ ভিটে বাড়ি হলেও তিনি বসবাস করছেন কক্সবাজার সদর এলাকায় একটি ছয়তলা বাড়িতে। দীর্ঘদিন সময় ধরে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে বানিয়েছেন কোটি টাকার সম্পদ।

অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার জ্ঞাত বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় নির্মল ধরের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছে।

বুধবার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কক্সবাজারের উপ সহকারী পরিচালক পার্থ চন্দ্র পাল বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত নির্মল ধর বর্তমানে কক্সবাজার সদর থানার ঘোনারপাড়ায় এলাকায় বসবাস করছেন।

দুদকের মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালে প্রাপ্ত অনুসন্ধানে ভিত্তিতে আসামি নির্মল ধরের (৬৬) বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পেয়েছে দুদক। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করে দুদক কমিশন। পরে এ আদেশটি আসামীকে বর্ণিত ঠিকানায় না পেয়ে বিনা জারিতে ফেরত আসে দুদক অফিসে।

২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আসামি নির্মল ধরের প্রতি সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাড়ির পাশে ঝুলিয়ে দেয় দুদক। পরবর্তীতে ওই আদেশের প্রক্ষিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবরে তিনি সম্পদ বিবরণী ফরমপূরন করে দাখিল করে দুদকে। তিনি তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে শুধুমাত্র ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য দেয় নির্মল ধর। সেখানে অনুসন্ধানে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৩০ হাজার ৭৬৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ১ কোটি ৩২ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জন করে ভোগ দখল থাকার সত্যতা পেয়েছে দুদক।

এ ঘটনায় আসামি নির্মল ধরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।