মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

মাঝরাতে দেবে গেছে মাতামুহুরী সেতু, আটকা পড়েছে অসংখ্য যানবাহন

শেয়ার করুন

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীর প্রাচীন ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটির মাঝখানে দেবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বুধবার মাঝরাতে হঠাৎ সড়কটি দেবে যাওয়ায় সড়কের উভয়পাশে আটকা পড়েছে অসংখ্য যানবাহন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী ও রোগীরা।

সেতুটিকে স্বাভাবিক অবস্থায় এনে যানচলাচল উপযোগী করতে আনুমানিক ৮-১০ ঘণ্টা লাগতে পারে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগ।

মহাসড়কের চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সায়দুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর সেতুটি মাঝখানের একটি বড় অংশ আকস্মিক দেবে গেছে। এটি সওজ বিভাগকে অবহিত করার পরপরই সংস্কারকাজ শুরু হয়। তা স্বাভাবিক হতে বৃহস্পতিবার সকাল ৭-৮টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সেতুর উভয়পাশে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তার মতে, দেবে যাওয়া অংশের সংস্কারকাজ শেষ হলেও এক লাইনেই সেতু পারাপার করতে হবে যানবাহনকে। আসন্ন ঈদের আগে সেতুটির দেবে যাওয়া অংশটি পূর্ণ সংস্কার করা হবে বলে সওজ বিভাগ জানিয়েছে, এমনটি উল্লেখ করেন তিনি।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই পাশে আটকাপড়া যাত্রীদের মাঝে অনেকে নৌকাযোগে নদী পার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছার চেষ্টা করছেন। তাই হয়রানি রোধে সড়কের উভয়পাশে পুলিশ রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন