৮ আগস্ট, ২০২৬ | ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৪ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!

মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও নির্মাণাধীন মসজিদ মার্কেটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা। পরিদর্শন শেষে তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্মাণকাজ, চলাচলের পথ সংরক্ষণ এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউএনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মাণাধীন মার্কেটের অবস্থা, ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলমান বিরোধ এবং বাজারের পুরোনো চলাচলের পথ (গলি) ঘুরে দেখেন।
এ সময় উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার বদরুল আলম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, উখিয়া উপজেলা ভূমি অফিসের তহশিলদার, রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রুমান, হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এম মনজুর আলম, স্বপন শর্মা রনি, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, অর্থ সম্পাদক হাফেজ ইকবালসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যবসায়ীদের উপস্থাপিত কাগজপত্র ও চুক্তিনামা পর্যালোচনা করে ইউএনও রিফাত আসমা জানান, ব্যবসায়ী করিম উল্লাহ ও জাকির হোসেনের দোকানসংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই দুটি দোকানের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে। তবে বাকি দোকানগুলোর নির্মাণকাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া মার্কেটসংলগ্ন গলিটি জনসাধারণের চলাচলের পথ হিসেবে আগের মতো খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গলিতে কোনো ধরনের দোকান বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপস্থিত ব্যক্তিদের সম্মতিক্রমে গলিটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে বর্তমান মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি মসজিদ কমিটির তহবিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে ওঠা অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে একটি অডিট কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান ইউএনও।

ইউএনওর ঘোষিত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, প্রশাসনের এ উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিরোধের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।