মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোক প্রজ্বলন করেছে ছাত্রলীগ

শেয়ার করুন

মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে একবারে শেষ বেলায় এসে বাঙ্গালীদের উপর গণহত্যা চালায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী। এই দিন ১৪ ডিসেম্বর (শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস) বাংলার সূর্য সন্তানদের তালিকা করে সেই তালিকা অনুযায়ী বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে তাদের হত্যা করে। রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীর সহযোগিতায় একদল পাকিস্তানি সেনা সাদা মাইক্রোবাসে করে শহরের বিভিন্ন গলির বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসে জাতির সবচেয়ে মেধাবী সন্তানগুলোকে। সেই তালিকায় ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী শিক্ষক থেকে শুরু করে ডাক্তার, সাংবাদিক থেকে শুরু করে সবাই ছিল সেই তালিকায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই, নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দূর্বল এবং পুঙ্গ করে দেওয়া। জাতির বিবেক খ্যাত বুদ্ধিজীবীদের এমন নির্মম অত্যাচার করে হত্যা করা হয়, তাঁদের লাশ সনাক্ত করাটাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও নিরীহ, অসহায় বুদ্ধিজীবী পরিবারগুলো কোনো বিচার পায়নি। কিন্তু দেরিতে হলেও বঙ্গবন্ধু তনয়া, জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচারও করেছেন। কারণ তিনি জানেন পিতা-মাতা হারানোর বেদনা, ভাই হারানোর কষ্ট। তাই শত বাধা উপেক্ষা করে বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী রাজাকার, আলবদর ও আলশামস নেতাদের ফাঁসির মুখোমুখি করেছেন। আর ঐইসব বীরসেনানীদের স্মরণে আলোক প্রজ¦লন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কক্সবাজার জেলা শাখা। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে রাত ১২ টা ১ মিনিটে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় এবং সাধারণ সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদের নেতৃত্বে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়। এই সময় মোমবাতি হাতে নিয়ে সবাই ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আজিম কনক, কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি আরিফুল মওলা, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের আজাদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মীর্জা ওবাইদ রুমেল, যুবলীগনেতা কুতুব উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইসমাঈল সাজ্জাদ, আভাষ শর্মা, রউফ উন নেওয়াজ ভূট্টো, আসাদ উল্লাহ সায়েম, কামরুল হাসান সোহাগ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ হোসাইন, জাহেদ সিকদার রুবেল, ইব্রাহিম আজাদ বাবু, মারুফ ইবনে হোসাইন, বোরহান উদ্দিন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ, সাদ্দাম হোসাইন, ফিরোজ উদ্দিন খোকা, সাখাওয়াত হোসাইন, জেলা ছাত্রলীগ নেতা শাহ নিয়াজ, তৌসিফ রহমান জিতু, মীর আশরাফ হোসেন বাপ্পী, শাখাওয়াত হোসেন তুর্য, মেহেদী হাসান মুন্না, জমির হোসেন, শাহদেুল ইসলাম, ইরফানুল হক হিমু, নজরুল ইসলাম সুমন, মঈন উদ্দিন, মহিউদ্দিন আজাদ, মারফ আদনান, মঈন উদ্দিন জনি, রাশেদ উদ্দিন রাসেল, কফিল উদ্দিন রিপন, হুমায়ুন কবির চৌধুরী হিরু, ফয়সাল আবদুল্লাহ, রাজীবুল ইসলাম মোস্তাক, শহীদুল রহমান বাবু, মিজানুর রহমান, এবি রায়হান, তারেক আদনান, মেডিকেল কলেজ সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল ইমন, জাকির হোসাইনসহ পৌর ছাত্রলীগ, সরকারী কলেজ, সিটি কলেজ, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আইন কলেজ, মেডিকেল কলেজ, সদর ছাত্রলীগ, টেকনিক্যাল ও ঈদগাও ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই সময় দেশনেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করে ভিষণ ২০২১ বাস্তবায়নে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন