২৮ জুন, ২০২৬ | ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

বিজিবি-বিজিপির সীমান্ত সম্মেলন: মাদক-মানবপাচাররোধে আলোচনা

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) এর রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১ জুন) মায়ানমারের মংন্ডুতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, মায়ানমার হতে অবৈধভাবে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস) সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য পাচার, মায়ানমার হতে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, আন্তঃ সীমান্ত অপরাধ দমন, সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী/দুষ্কৃতিকারীদের ক্যাম্প/আস্তানা অপসারণ, সীমান্তে ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IED) স্থাপন, মায়ানমারের কাঁটাতারের বেড়ায় বৈদ্যুতিক সংযোগ স্থাপন, অসতর্কতা/ভুলবশতঃ আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে মায়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর আটককৃত বাংলাদেশী নাগরিকদের দ্রুত ফেরত প্রদানের বিষয়টি ত্বরান্বিত ও সহজীকরণ, সীমান্তের নানাবিধ সমস্যা নিরসনকল্পে উভয় দেশের বর্ডার লিঁয়াজো অফিস (বিএলও) এর কার্যক্রম পূর্ণরূপে সক্রিয়করণ, বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে যৌথ সমন্বিত টহল পরিচালনা ও পিলার পরিদর্শন ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

এছাড়াও মায়ানমারে কারাভোগ শেষে স্বদেশে প্রত্যাবাসনের জন্য অপেক্ষমান বাংলাদেশী নাগরিকদের হস্তান্তর প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্নের বিষয়েও সম্মেলনে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ।

দুই দেশের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিপি কমান্ডার General Htet Lwin-এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন।

অপরদিকে, বিজিবি’র ১৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেন কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজম-উস-সাকিব।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবি’র উর্ধতন কর্মকর্তা ছাড়াও স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দও ছিলেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল মায়ানমারের মন্ডুতে পৌঁছালে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মায়ানমার প্রতিনিধিদল।

বিজিবি প্রতিনিধিদলের প্রধানকে মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি) কর্তৃক ‘গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিজিবি প্রতিনিধিদল মায়ানমারে কারাভোগ শেষে স্বদেশে প্রত্যাবাসনের জন্য অপেক্ষমান ০৪ জন বাংলাদেশী নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: শরিফুল ইসলাম।

সম্মেলনে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং সীমান্তে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় প্রতিনিধিদলের প্রধান একসাথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।সম্মেলন শেষে বিকেলে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন বিজিবি প্রতিধিদল।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ সীমান্ত সম্মেলন ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।