৭ মার্চ, ২০২৬ | ২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৭ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

বান্দরবানে আ’লীগ নেতা অপহরণ ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রতিবাদ সভা

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওর্য়াডের সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চথুইমং মারমা অপহরণ ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রতিবাদ সভা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩মে) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলের কার্যালয়ে ওই প্রতিবাদ সভাটি হয়। এসময় বক্তব্য দেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইমরান, দপ্তর সম্পাদক ও প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আব্দু সাত্তার, উপজেলা কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মামুন শিমুল, উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমূখ। প্রতিবাদ সভায় তাঁরা অবিলম্বে অপহৃত চথুইমং মারমার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

গত বুধবার রাত পৌনে নয়টার দিকে বান্দরবান সদর উপজেলায় কুহালং ইউনিয়নের উজিমুখ হেডম্যানপাড়ার খামারবাড়ি থেকে চথুইমং মারমাকে অপহরণ করা হয়।

অপহৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা জানান, জেলা শহর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দুরে উজিমুখ হেডম্যানপাড়ায় চথুইমং মারমার খামারবাড়িতে আট-নয়জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল হানা দেয়। সন্ত্রাসীরা চথুইমং মারমাকে খামারবাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় তাঁর স্ত্রীও খামারে ছিলেন। স্বামীকে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিলে তাঁকেও সন্ত্রাসীরা কিলঘুষি ও লাঠি মারে।

চথুইমং মারমার স্ত্রী বলেছেন, সন্ত্রাসীরা খামারবাড়িতে এসে তাঁর স্বামীকে ডাকাডাকি করে। তাঁকে পেয়ে ধরে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা চাকমা, মারমা ও বাংলা ভাষায় কথা বলছিল। তবে তিনি তাদের কাউকে চিনতে পারেননি।

এ ঘটনায় বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার বলেছেন, চথুইমং অপহরণের ব্যাপারে জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা যেদিকে চথুইমংকে নিয়ে গেছে, সেদিকে অভিযানের দল অগ্রসর হচ্ছে। তবে অপহরণকারী কারা হতে পারে, তা শনাক্ত করা যায়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।