মূল খবরে যান

শিরোনাম
● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

বান্দরবানে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে চার সচিবসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন


বান্দরবানে পাহাড়ি ঝিড়ি ঝর্ণা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৪ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার বান্দরবানের সিনিয়র সহকারী জজ মনিশা মহাজনের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন লামা উপজেলার ফাঁসিয়া খালী এলাকার বাসিন্দা শিমুল জলাই ত্রিপুরা। এই মামলায় আদালত পাথর উত্তোলন বন্ধে কেন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে না মর্মে ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়া খালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ি ঝিড়ি ঝর্ণা থেকে একটি মহল অবাধে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে যাচ্ছে। এর ফলে পানির উৎস যেমন হারিয়ে যাচ্ছে তেমনি পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব পরছে। কিন্তু পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ হতে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে শিমুল জলাই ত্রিপুরা নামের এক ব্যক্তি সিনিয়ন সহকারী জজের আদালতে ৪ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১২ জনকে আসামি করে আজ মামলাটি দায়ের করেন।

মালার আসামিরা হচ্ছেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়, খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৪ সচিব। এছাড়া চট্রগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক, বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্বা), লামা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার, লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এছাড়া ২ পাচারকারী লামা পৌরসভার বাসিন্দা প্রদীপ দাশ ও ছাগল খাইয়া এলাকার বাসিন্দা আলী হোসেন আসামির তালিকায় রয়েছেন। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

শেয়ার করুন