মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

বনবিভাগের পৃথক অভিযান:৩ শতাধিক পাখি ও ড্রেজার জব্দ

শেয়ার করুন

জাহেদ হাসান:

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জ পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩ শতাধিক বক পাখি ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ৩টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়েছে। পরে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুকৃত ৩ শতাধিক সাদা বক পাখি উদ্ধার করে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উখিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমের নেতৃত্বে পালংখালীর মাসকারিয়া বিল ও মোছারখোলা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন,থাইংখালী বিট কর্মকর্তা রাকিব হোসাইন রাজু,ওয়ালাপালং বিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদ, দোছড়ি, মোছারখোলা বিট কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট এলাকার হেডম‍্যান, ভিলেজার,সিপিজির সদস‍্যগণ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ গাজী শফিউল আলম বলেন,গোপন সূত্রে জানতে পারি একটি পাখি শিকারী সিন্ডিকেট পাখি শিকার করে পাচার করে আসছিল এবং অন্যদিকে একটি বালুখেকো সিন্ডিকেট অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল,এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিমান চালিয়ে ৩ শতাধিক বক পাখি ও ৩টি ড্রেজার জব্দ করা হয়।তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সারওয়ার আলম বলেন, কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন উখিয়াসহ যেসব এলাকায় যারা পশুপাখি শিকার করে ঐসব পাচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি সরকারি বনভূমি উদ্ধারে বনবিভাগ তৎপর রয়েছে। সরকারি জমিতে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করলে তা উচ্ছেদ করা হবে এবং জবরদখলকারী,বনজ সম্পদ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বনভূমিসহ সরকারি সম্পদ রক্ষার্থে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। অভিযান চালিয়ে ভূমি জবরদখল এবং পাহাড়খেকোদের আইনের আওতায় আনা হবে। বন অপরাধ দমনে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বানও জানান তিনি।

শেয়ার করুন