মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি কর্তৃক সংবাদকর্মী লাঞ্চিত?

শেয়ার করুন


চকরিয়ার বদরখালীর প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে চকরিয়ার কর্মরত সংবাদকর্মীকে লাঞ্চিত করেছে দূর্ণীতিবাজ উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বামী ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মাস্টার আবুল হাশেম।
জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক রূপালী সৈকত পত্রিকায় তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদের ইসুকে কেন্দ্র করে গতকাল ১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকার সময় পেশাগত দায়িত্বপালন শেষে বাজার ফেরার পথে বদরখালী বাজারের আসলে মাস্টার আবুল কাশেম ইউনিয়ন পরিষদের সামনে উক্ত কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সদস্য ও দৈনিক রূপালী সৈকতের উপকুলীয় প্রতিনিধি আল জাবের কে ধরে নিয়ে গিয়ে শাররীক ভাবে লাঞ্চিত করে।
এ সময় তার হাতে থাকা ক্যামরা কেড়ে নিতে চাইলে স্থানিয় জনগন এগিয়ে এসে তাকে হাশেমের হাত থেকে উদ্ধার করে বলে জানান সংবাদকর্মী জাবের। এ সময় কোন পত্রিকায় তাহাদের বিরুদ্ধে কোন সংবাদ প্রকাশ হলে কাউকে ছাড়বেনা বলে শাষিয়ে দেন তিনি।
উল্লেখ্য যে, গত ৪ জানুয়ারী বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সেতারা পারভীন উক্ত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার আবুল হাশেমের স্ত্রী হওয়ার সুবাদে বিদ্যালয়ের সরকারী প্রদত্ত স্লিপের টাকা, সজ্জিত করণের টাকা, প্রাক প্রাথমিকের সরাঞ্জামের টাকা সহ বিদ্যালয়ের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করার বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করলে উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারী বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক স্বামী-স্ত্রী হওয়ায় টাকা আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এমন অভিযোগ উঠে দীর্ঘদিন ধরে। স্থানিয় সংবাদ মাধ্যমে অনেক সময় লেখা লেখির পরও বর্তমান উপজেলা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তার কোন কিছুই হয়নি, বরং স্বামী-স্ত্রীর ব্যবসা প্রতিষ্টানে পরিনত হয়েছে এমন অভিযোগ স্থানিয়দের।
স্থানীয় চেয়ারম্যন খাইরুল বশর সংবাদকর্মী লাঞ্চিত হবার বিষয়টি অবগত হয়েছেন বলে জানান।
সাংবাদকর্মীকে লাঞ্চিত করা বিষয়ে চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, সভাপতি কর্তৃক গণমাধ্যম কর্মী লাঞ্চিতের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে তিনি অবহিত হয়েছেন। আর অভিযোগ পত্রের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে বলেন তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
দুর্ণীতিবাজ ও দাপুটে সভাপতি মাস্টার আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন না করলে সাংবাদিকরা লেখনি ও আন্দোলনের মাধ্যমে এর সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে জানান চকরিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক ও ককক্সবাজার জেলা উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের নেতারা।

শেয়ার করুন