মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

ফের মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

শেয়ার করুন

ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ইরান কর্তৃক ১৫টি মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা ছড়িয়ে পড়তেই পাল্টা যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের মাটিতে দীর্ঘমেয়াদি ও বৃহত্তম রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা উল্লেখ করে মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল জোসেফ ভোটেল বলেছেন, দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক সরকার।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৫টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন থাকায় ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে৷ রবিবার এমনই কথা জানিয়েছিল ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা৷

এদিকে মার্কিন সেনা প্রধান জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা আমেরিকার বিবেচনা করা উচিত। ওয়াশিংটন থেকে এই বার্তা ছড়িয়ে পড়তেই সাজো সাজো রব ইরানে৷ পারস্য উপসাগরে বিশেষ মহড়ার পথে হাঁটছে ইরানি নৌ সেনা৷ এতে আরও তেতে উঠেছে ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্ক৷

মার্কিন সেনা প্রধান আরও বলেন, ভাড়াটে বাহিনী এবং সাইবার হামলার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যকে ক্রমে অস্থিতিশীল করছে ইরান। এর জন্য সামরিক উপায়ে জবাব দেওয়া দরকার৷ ইরানের পরমাণু অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে চিন্তিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷

দু’তরফের কূটনৈতিক যুদ্ধ চরমে উঠেছে৷ আমেরিকার ক্ষমতায় এসেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাতটি মুসলিম রাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা আইনে কড়াকড়ি করেন৷ সেই রেশ ধরে ইরানি নাগরিকদের উপর অভিবাসন আইন আরও কড়া হয়৷ এর জেরে মার্কিন নাগরিকদের ভিসা প্রদান বাতিল করেছিল ইরান৷ পরে তা শিথিল করে তারা।

শেয়ার করুন