মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

প্রধানমন্ত্রীর সামনে সানগ্লাস পরায় নোটিশ

শেয়ার করুন

Modi1431750731

 প্রধানমন্ত্রীর সামনে সানগ্লাস পরায় নোটিশ করা হয়েছে ভারতের ছত্তিশগড়ের বস্তারের জেলা প্রশাসককে। এ-ও জানানো হয়েছে, বন্ধগলা (জামার কলারের বোতাম খোলা ছিল) শার্ট না পরে প্রটোকল ভেঙেছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

 

মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকায় ৯ মে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সেদিন বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন দুই জেলা প্রশাসক। বস্তারের জেলা প্রশাসক অমিত কাটারিয়া ছাড়াও হাজির ছিলেন দন্তেওয়াড়ার জেলা প্রশাসক কে সি দেবসেনাপতি।

 

বস্তারের জেলা প্রশাসক অমিত কাটারিয়ার গায়ে ছিল নীল-সাদা স্ট্রাইপ শার্ট। চোখে সানগ্লাস। কাটারিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রশংসা করে বলেন, ‘মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় কী ভীষণ কঠিন পরিস্থিতিতে কাজ করেন আপনারা।’ কিন্তু দিন কয়েকের মাথায় বিজেপি সরকারের কোপে পড়তে হলো সেই ‘দুঃসাহসী’ অফিসারকেই।

 

প্রধানমন্ত্রীর সামনে সানগ্লাস পরায় কেবল যে কাটারিয়াকে নোটিশ ধরানো হয়েছে, তাই নয়। সরকারের কোপে পড়েছেন অন্য জেলা প্রশাসক কে সি দেবসেনাপতিও। দেবসেনাপতি সেদিন পরেছিলেন সাদা শার্ট আর ট্রাউজার। রাজ্য সরকারের বক্তব্য, সেদিন তারা দুজনেই ছিলেন সরকারি প্রতিনিধি। প্রটোকল মেনে ‘বন্ধগলা’ পোশাক পরা উচিত ছিল তাদের। অথচ প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিন ভালো ব্যবস্থাপনা করায় দুই কর্মকর্তাকেই অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহ।

 

নোটিশ পাঠিয়ে কাটারিয়া ও দেবসেনাপতিকে বলা হয়েছে, ‘সর্বভারতীয় সার্ভিস রুল-এর ৩(আই) ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক কর্মীকে তার কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বজায় রাখা উচিত। এমন কিছু করা উচিত নয়, যা তার পদ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।’

 

অবশ্য এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি দুই জেলা প্রশাসক। যদিও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তোলা যে ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন কাটারিয়া, তা ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। সেই ছবিতে কাটারিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রমন সিংহকে দেখিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ‘উনিও তো কোটের উপরের বোতাম লাগাননি। তা হলে!’

 

শেয়ার করুন