মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

প্রথম দিন ভ্যাকসিন পেলেন ৮’শ কারাবন্দী কোভিড ভ্যাকসিনের আওতায় আসলো চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দীরা

শেয়ার করুন

নিউজ ডেস্ক:

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দীদেরকে প্রথমবারের মতো কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হয়েছে। আজ ৯ ডিসেম্বর ২০২১ ইংরেজি বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম তদারকি করেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। উদ্বোধনী দিনে ৮’শ কারাবন্দীকে ফাইজার ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কারাগারের ডিআইজি (প্রিজনস) একেএম ফজলুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শফিকুল ইসলাম খান। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার দেওয়ান মোঃ তারিকুল ইসলাম ও কারা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম রেজাসহ সংশ্লিষ্টরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ৭ হাজার ৮’শ কারাবন্দী রয়েছে। তাদেরকে বাদ দিয়ে আমরা সুরক্ষিত থাকতে পারিনা। সরকারের নির্দেশনায় তাদের প্রত্যেককে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্দিষ্ট কার্ডে নাম, ঠিকানা ও পরিবারের মোবাইল নম্বর লিখে প্রথম দিন ৮’শ কারাবন্দীকে ফাইজার ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর মনে আছে তাদের নম্বর ঐ কার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল বন্দীকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। এটা বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, কারাগারে থেকে যে সকল বন্দী প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে তাদেরকে সেখানে দ্বিতীয় ডোজ ভ্যাকসিন দেয়া হবে। আবার যে সকল বন্দী প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন নেয়ার পর জামিনে মুক্তি পাবে তারা বাইরে থেকে কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহন করতে পারবে। বিভিন্ন অপরাধে আসামী হয়ে যারা নতুনভাবে কারাগারে আসবে তাদেরকেও ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, হিজড়া ও বেদে সম্প্রদায়সহ পিছিয়ে থাকা অন্যান্য জনগোষ্ঠীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলেও তারা আমাদের সমাজেরই মানুষ। সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে তারা ভ্যাকসিনের রেজিস্ট্রেশন করতে পারছেন না। তাদেরকে বাদ দিয়ে আমরা সুরক্ষিত থাকতে পারিনা। ইতোপূর্বে তাদেরকে কোভিড ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হয়েছে। এভাবে পিছিয়ে পড়া সমাজের অন্যান্য জনগোষ্ঠীকেও ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হবে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা কারাবন্দীদেরকেও ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হচ্ছে।

কারাবন্দী নুরুল আলম স্বাস্থ্য বিভাগকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কারাগারে থাকার কারণে তদিন কোভিড ভ্যাকসিন নিতে পারিনি। স্বাস্থ্য বিভাগের আন্তরিকতায় অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে পেরেছি। এতে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

শেয়ার করুন