১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৬ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রতিবাদ

কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারনার এক সভায় গত ৬ জুন আমি বক্তব্য প্রদান করি। ঐ সময় আমার দেয়া বক্তব্যেকে এডিট করে আমি বিগত কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনে ৮টি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি করার কথা স্বীকার করেছি মর্মে দৈনিক যুগান্তর সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় মিথ্য সংবাদ প্রকাশিত হয়।

২০১৯ সালের কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচন ইভিএম এর মাধ্যমে হয়েছে। ইভিএম ভোটে ডাকাতিতো দূরের কথা, এই ভোটে চুল পরিমান কারচুপি করারও সুযোগ নেই। আর আমি নিজে কক্সবাজার সদর উপজেলা ভোটার নই। ঐ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এমনকি আমার দলীয় কোন পদ-পদবীও ছিলো না। ফলে কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাচনে আমার কোন কেন্দ্রে প্রবেশ করার প্রশ্নই উঠে না । উক্ত উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কোথাও কোন অনিয়মের অভিযোগই নেই। মূলত আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে হয়রানি করার জন্য ও আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একটি মহল আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে আমি ভোট ডাকাতি করেছি মর্মে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ সংবাদ প্রকাশ করে। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিবেদক:

এস এম ইমরুল কায়েস চৌধুরী
চেয়ারম্যান হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ, উখিয়া, কক্সবাজার।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।