মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রতিবাদ

শেয়ার করুন

কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারনার এক সভায় গত ৬ জুন আমি বক্তব্য প্রদান করি। ঐ সময় আমার দেয়া বক্তব্যেকে এডিট করে আমি বিগত কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনে ৮টি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি করার কথা স্বীকার করেছি মর্মে দৈনিক যুগান্তর সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় মিথ্য সংবাদ প্রকাশিত হয়।

২০১৯ সালের কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচন ইভিএম এর মাধ্যমে হয়েছে। ইভিএম ভোটে ডাকাতিতো দূরের কথা, এই ভোটে চুল পরিমান কারচুপি করারও সুযোগ নেই। আর আমি নিজে কক্সবাজার সদর উপজেলা ভোটার নই। ঐ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এমনকি আমার দলীয় কোন পদ-পদবীও ছিলো না। ফলে কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাচনে আমার কোন কেন্দ্রে প্রবেশ করার প্রশ্নই উঠে না । উক্ত উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কোথাও কোন অনিয়মের অভিযোগই নেই। মূলত আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে হয়রানি করার জন্য ও আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একটি মহল আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে আমি ভোট ডাকাতি করেছি মর্মে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ সংবাদ প্রকাশ করে। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিবেদক:

এস এম ইমরুল কায়েস চৌধুরী
চেয়ারম্যান হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ, উখিয়া, কক্সবাজার।

শেয়ার করুন