১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২৬ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস চৌধুরী প্রতিবাদ

কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারনার এক সভায় গত ৬ জুন আমি বক্তব্য প্রদান করি। ঐ সময় আমার দেয়া বক্তব্যেকে এডিট করে আমি বিগত কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচনে ৮টি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি করার কথা স্বীকার করেছি মর্মে দৈনিক যুগান্তর সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় মিথ্য সংবাদ প্রকাশিত হয়।

২০১৯ সালের কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাচন ইভিএম এর মাধ্যমে হয়েছে। ইভিএম ভোটে ডাকাতিতো দূরের কথা, এই ভোটে চুল পরিমান কারচুপি করারও সুযোগ নেই। আর আমি নিজে কক্সবাজার সদর উপজেলা ভোটার নই। ঐ নির্বাচন চলাকালীন সময়ে আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এমনকি আমার দলীয় কোন পদ-পদবীও ছিলো না। ফলে কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাচনে আমার কোন কেন্দ্রে প্রবেশ করার প্রশ্নই উঠে না । উক্ত উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কোথাও কোন অনিয়মের অভিযোগই নেই। মূলত আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে হয়রানি করার জন্য ও আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য একটি মহল আমার বক্তব্যকে বিকৃত করে আমি ভোট ডাকাতি করেছি মর্মে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ সংবাদ প্রকাশ করে। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

নিবেদক:

এস এম ইমরুল কায়েস চৌধুরী
চেয়ারম্যান হলদিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদ, উখিয়া, কক্সবাজার।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।