মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

পৈশাচিক নির্যাতনে শিশু হত্যার ভিডিও নিয়ে তোলপাড়

শেয়ার করুন

child sylhetসিলেটে ১৩ বছরের এক কিশোরকে খুঁটিতে বেঁধে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে তোলপাড়। পৈশাচিক এ হত্যা মামলার তিন আসামিকে চার দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

ইউটিউবে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শেখ সামিউল আলম রাজন নামের ওই কিশোরকে একটি খুঁটির সাথে বেঁধে কয়েকজন লোক নির্মমভাবে প্রহার ও নির্যাতন করছে।

জানা গেছে, সিলেট সদর উপজেলার কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে বুধবার সকালে সবজি বিক্রি করতে বাড়ি থেকে বের হয় শিশু সামিউল। চুরির অভিযোগে একটি দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেধে রুল দিয়ে পিটিয়ে ও খুচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। এর পর মাইক্রোবাসে করে শিশুটির লাশ গুমের চেষ্টাকালে ওইদিনই মুহিদ আলম (৩২) নামে একজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে শনিবার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রবিবার এই রিমান্ড আবেদনের শুনানি হওয়ার কথা থাকলে তা পিছিয়ে আদালত সোমবার ধার্য করেন।

এ ঘটনায় জালালাবাদ থানা পুলিশ বাদী হয়ে বুধবার রাতেই আটক মুহিদ আলমসহ চারজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করে। অপর আসামিরা হল মুহিদ আলমের ছোট ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়না (৪৫)। মৃত রাজন সদর থানার বাদেয়ালী গ্রামের বাসিন্দা গাড়িচালক শেখ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান আলমের ছেলে।

নিহত শিশুটির বাবা আজিজুর রহমান আলম  জানান, তার ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না – স্ত্রীর কাছ থেকে এ খবর পেয়ে তিনি প্রথমে এখানে ওখানে খোঁজ করেন। পরে থানায় গেলে পুলিশ তাকে জানায়, তারা একটি কিশোরের মৃতদেহ পেয়েছে। পরে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যান আজিজুর রহমান।

রাজনকে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে শেখপাড়া গ্রামে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, ১৩ বছরের শিশুটিকে নির্যাতনের একপর্যায়ে ছাড়া পাওয়ার জন্য শিশুটি পাষণ্ডদের কাছে আকুতি জানায়। তার আর্তচিৎকার ও অনুনয়-বিনয়ের পরও তাকে অব্যাহতভাবে পেটানো হচ্ছে এবং প্রহাররত পশুরা জোরে জোরে হাসছে। কিন্তু শিশুটির সেই আকুতিতে কারোরই মন গলেনি। উল্টো তাকে আরো নির্মভাবে পেটানো হয়। এক পর্যায়ে শিশুটি একটু পানির আকুতি জানালে তারা তাকে শরীরের ঘাম আর চোখের পানি খেতে বলে। এর পর শিশুটি নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এ সময়ে হত্যাকারীরা নানা ঠাট্টাও করে।

নির্যাতনকারীরা ‘ভিডিও ঠিকমতো করা হচ্ছে কিনা’ সেটাও জিজ্ঞেস করছে বলে শোনা যায়, জবাবে একজন ফেসবুকে ওই ভিডিও ছেড়ে দেবার কথাও বলে।

এ ব্যাপারে রাজনের পিতা একটি মামলা করেছেন। পুলিশ জানায়, বাকি নির্যাতনকারীদের কেউই এখনো ধরা পড়েনি, তবে তাদের ধরার জন্য অনুসন্ধান চলছে।

শেয়ার করুন