মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

পেটের ভিতর ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

শেয়ার করুন

রায়হান সিকদার, লোহাগাড়াঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ বটতলী মোটর ষ্টেশনস্থ এলাকা হতে পেটের ভিতর দিয়ে ইয়াবা পাচারকালে ১ রোহিঙ্গা নাগরিককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। আটককৃত রোহিঙ্গার নাম আবু সামা প্রকাশ আসাদুল (২২)। সে টেকনাফের লেদা ক্যাম্পের মো: আলমের পুত্র। সূত্রে জানা গেছে, আসাদুল পেটের ভিতর দিয়ে ইয়াবাগুলো নিয়ে কক্সবাজার হতে হানিফ পরিবহন যোগে বটতলী মোটর ষ্টেশনে এসে যাত্রা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উল্লেখিত এলাকা হতে ১৬ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক ২টায় লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শাহ্জাহান পিপিএম (বার)’র নির্দেশে থানার এসআই মো: নাছির উদ্দিন রাসেল ও এএসআই জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে একটি পুলিশি টিম তাকে আটক করে। পরবর্তীতে তার পেটের ভিতর ইয়াবাগুলো নিশ্চিত করার জন্য আমিরাবাদের একটি বেসরকারী ক্লিনিকে তার পরীক্ষা করানো হয়। ডাক্তারের পরীক্ষায় স্পষ্ট ভাবে নিশ্চিত করা যায় যে, তার পেটের ভিতরে রাবারের দ্বারা ৮টি ইয়াবার প্যাকেট রয়েছে। পরে, রোহিঙ্গা আসাদুলকে থানার হেফাজতে নিয়ে এসে ওষুধ খাওয়ার পর মলঘর দিয়ে ১টি রাবারের প্যাকেট বের হয়। একইদিন বিকেলে থানার অফিসার ইনচার্জ কার্যালয়ে লোহাগাড়ার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিং-এ উপস্থিত ছিলেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান মুল্লা ও থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শাহ্জাহান পিপিএম (বার)। আটককৃত আবু সামা বলেন, তার পেটের ভিতরে ৮টি ইয়াবার প্যাকেটে মোট ৪পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট আছে বলে তিনি জানান। তাকে উক্ত ইয়াবাগুলো টেকনাফের মুসনি ক্যাম্পের সেলিম নামের এক ইয়াবা বিক্রেতা ৫হাজার টাকার বিনিময়ে চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দিয়েছিল। আটককৃত ইয়াবা পাচারকারী রোহিঙ্গা নাগরিকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

শেয়ার করুন