১০ মার্চ, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ২০ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি

পুলিশ মাদকের সঙ্গে জড়িত হলে চাকরি হারাতে হবে

s;ljg dghycox_bg_405767723

কোনো পুলিশ সদস্য মাদক ব্যবসা কিংবা পরিবহনের সঙ্গে জড়িত হলে তাকে চাকরি হারানো পাশাপাশি জেল হাজতেও যেতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি  শফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টায় কক্সবাজার পুলিশ লাইন মাঠে ৩০ কোটি টাকার মাদক দ্রব্য ধ্বংস কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা মাদক নিয়ে ধরা পড়লে তদবির হয়, কিন্তু পুলিশের বেলায় তা চলবে না। কোনো পুলিশ সদস্য মাদক ব্যবসা কিংবা পরিবহনের সঙ্গে জড়িত হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। তাকে চাকরি হারাতে হবে পাশাপাশি জেল হাজতে যেতে হবে।

ডিআইজি আরো বলেন, অনেক পুলিশ সদস্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ নিয়মিত মাসোয়ারা নেয় খবর নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অতীতে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার কয়েকজন পুলিশের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, পুলিশ, বিজিবি ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষে মাদক রোধ করা সম্ভব নয়।
নিজে, পরিবার ও সমাজ থেকে মাদক রোধ করতে হবে। চাহিদা থাকলে পাচারকারী যেকোন মূল্যেই ইয়াবা আনবে। তাই সচেতনার মধ্যেই মাদকের বিস্তার ধ্বংস করে এদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে।

এ সময় ডিআইজি আরো বলেন, বর্তমানে সড়ক পথে মাদক পাচার অনেক কমে এসেছে। পাচারকারীরা কৌশল হিসেবে এখন নৌপথ ব্যবহার করছে। নৌপথে কোস্টগার্ড থাকলেও জনবল পর্যাপ্ত নয়।

গত তিন মাসে বিভিন্ন স্থান থেকে ১০ লাখ ইয়াবা ও ১৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব মাদ্রক দ্রব্যের মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধার হওয়া এসব মাদ্রক ধ্বংস করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।