মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু

পাহাড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ছড়া দখল পরিদর্শনে ইউএনও জাকারিয়া

শেয়ার করুন

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজারে পাহাড় কেটে এবং নদী-খাল-ছড়া ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে। এতে বর্ষা মওসুমে লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এদিকে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে নির্মাণাধীন একটি স্থাপনা আংশিক উচ্ছেদ ও ছড়া দখল করে স্থাপনা নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া। আজ শুক্রবার বিকালে কক্সবাজার সদর উপজেলা কমপ্লেক্সের পেছনের পাহাড়ে এবং বাইপাস সড়কের জেলগেইট এলাকায় এ কার্যক্রম চালানো হয়। এসময় কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ জিল্লুর রহমান সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজার সদর উপজেলা কমপ্লেক্সের পেছনে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করে আসছিল রেজাউল করিম নামের এক ব্যক্তি। অভিযোগ পেয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়ার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে আংশিক উচ্ছেদ করা হয়। পরে বাইপাস সড়কের জেলগেইট এলাকায় পাহাড় কেটে ছড়া দখল করে নির্মিত ও নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়।
এসময় পাহাড় কেটে অবৈধভাবে ঝুঁকিপূর্ন বসতি তৈরি ও ছড়া দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ইউএনও। পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এনভায়রনমেন্ট পিপল এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে শতাধিক পাহাড় কাটা চলছে। পাহাড় কেটে সমানতালে ঝুঁকিপূর্ন স্থাপনাও নির্মাণ চলছে। এতে সম্ভাব্য পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে লাখ লাখ মানুষ। এছাড়া নদী-খাল-ছড়া ভরাট চলছে।’ পাহাড় কাটা ও নদী-খাল-ছড়া-নালা দখল বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান তিনি।

শেয়ার করুন