১৫ আগস্ট, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

পালংখালীর চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিনের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাস্তায় নামলো হাজারো নারী-পুরুষ

বিশেষ প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী সহ সাতজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে সিরাজুল মোস্তফা। যার সিআর মামলা নং-২৩৫/২২।
মামলাটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল সোমবার মানববন্ধন করেছে পালংখালী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনসাধারণ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,”গফুর উদ্দিন চৌধুরী কখনো পাহাড় কাটার সাথে জড়িত ছিলোনা। গরীবের প্রাণপ্রিয় চেয়ারম্যান হিসেবে তিনবার নির্বাচিত হয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

তারা আরও বলেন,”গফুর উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে বা যারা ষড়যন্ত্র করতেছে তাদের বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান করে তাদের আসল পরিচয় বের করা উচিত।

পরে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করে চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী। এসম তিনি বলেন, কখনো পাহাড় কাটার সাথে জড়িত ছিলাম না। মামলার বাদীকেও কোনোদিন দেখিনি। সেখানে আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমি উক্ত মামলার পুনরায় তদন্ত দাবি করছি বিজ্ঞ আদালতের নিকট।

তিনি আরও বলেন,”আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। আমার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারলে তারা এ ইউনিয়নে অনেক অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘটাতে পারবে৷ দেদারসে পাহাড় কাটতে পারবে। আমার প্রাণ যতদিন থাকবে ৫০হাজার টা মামলা হলেও অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যাবো। পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।”

এসময় মামলাটি মিথ্যা,বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তিনি বলেন,”মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হামলা করা হয়েছে। মূলত ঘটনা হচ্ছে যারা বালির ইজারা নেয় তারা বালির মেশিন বসায় পাহাড়ের ভেতরে একটা আরেকটা খালের উপর। অবৈধভাবে পাহাড়ের মাটির নিচ থেকে বালি আহরণের প্রতিবাদ সবসময় জানিয়ে আসছি। যার ফলে এ ইউনিয়নের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু কুচক্রী মহলের মানুষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেছে। কেননা আমি না থাকলে বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ বন্ধ হয়ে যাবে। তখন তারা সবকিছু লুটপাট করতে পারবে।”

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।