২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১৪ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৯ রমজান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন   ●  নারী ভোট ও আওয়ামী সমীকরণে জমে উঠেছে উখিয়া–টেকনাফের নির্বাচনী মাঠ   ●  উখিয়া-টেকনাফে ‘হ্যাঁ ভোট’ প্রচারণা শুরু, এনসিপির গণসংযোগ   ●  উখিয়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বাংলা মদ ও দা- ছুরিসহ যুবক গ্রেফতার   ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ

পাগলিরবিলে অপরিকল্পিত ইট ভাটা, ,সড়কের ব্যাপক ক্ষতি,প্রশাসন নির্বিকার

index

উখিয়ার সবুজ শ্যামল ও কৃষির অপার সম্ভাবনাময়  মরিচ্যা পাগলির বিল এলাকার দিকে ভুমিদস্য, প্রভাবশালী ও    অতি মোনাফ লোভীদের কুনজর পড়ায় কৃষকদেরও ভুল বুঝিয়ে  কৃষি জমি উচ্চ  মুল্যে ক্রয় করে একের পর এক নির্মাণ করছে ইট ভাটা । বিগত ৩/৪ বছর যাবত এ এলাকায় ২টি  ইট ভাটার উৎকট গন্ধে,ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ মারাতœকভাবে দূষিত হলেও ইট ভাটা মালিকরা টাকাওয়ালা ও প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাইনাই।কিন্তু বর্তমানে মরিচ্যা  পাগলির বিল সড়কটি ইট ভাটার ভারী ট্রাক, ঢাম্পার চলাচলের কারণে  রাস্তায় বিছানো ইট গুলো প্রায় ভেংগে গিয়ে ব্যাপক খানাখন্দকের
সৃষ্টি হয়েছে এবং রাস্তার দু পাশ্ব দিন দিন ভেঙ্গে যাচ্ছে। এবং পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে । পাগলির বিল সড়ক দিয়ে যান চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।এ ছাড়া ইট ভাটার  উৎকট গন্ধে এলাকার বাতাস, পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। এমন দূষিত বাতাসের ফলে  কি ধরণের রোগব্যাধী  হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ককসবাজারের বেশ কয়েকজন মেডিসিন বিশেষঞ জানান, এ্যজমা, শ্বাসকষ্ট,ফুসফুস ক্যান্সারসহ বিভিন্ন মারাতœক েেরাগব্যাধী হতে পারে বিশেষকরে ইটভাটার পাশ্ববর্তী থাকা শিশুও বৃদ্ধরা খুবই ঝুকিপুর্ণ ।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ সাইফুল¬াহ সিকদার  সাইফুল মেম্বার, সমাজ সেবক ককসবাজার আইনজীবি সহকারী সমিতির সাবেক  সভাপ্রতি মুন্স্ িমাহমুদুল হক চেীং, হাজী আবুল কাসেম,ছাত্রনেতা আবছার উদ্দিন শাšতসহ  স্থানীয়দের সবাই অকপটে এই প্রতিবেদকের কাছে ইট ভাটার কারণে এলাকার পরিবেশ বিনষ্ট,রাস্তার বেহাল দশা, রাত দিন মাঠির টপ সয়েল বিক্রির কারণে ক্ষতির কথা স্বীকার করেন।বিশেষ করে এ বছর আম গাছে যতেষ্ট মুকুল আসলেও আম ধরেছে (ফলন) খুবই কম যার একমাত্র কারণ ইট ভাটার দূষিত বাতাস বলে মনে করছেন পরিবেশবাদী লোকজন।পাগলিরবিল কৃষি নির্ভর এলাকা হওয়ায় এ এলাকায় সরকার ৪-৫ কোঠি টাকা ব্যয়ে রাবারড্যাম নির্মাণ করেছে অথচ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কৃষি আবাদযোগ্য জমি আশংকাজনক হারে কমে যাচ্ছে এ ছাড়া মাঠির টপসয়েল বিক্রির ফলে মাঠির উর্বরতা কমে গিয়ে  ধানের ফলন কম হবে বলে মনে করছেন কৃষিবিদরা ।ইট ভাটার ভারী যান চলাচলের ফলে   মরিচ্যা পাগলির বিল সড়কটি যানচলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পুর্ব পাগলির বিলের নুরু ড্রাইভারদের বিশাল ইট ভাটাটির চারপাশে কৃষি জমি ও ঘরবাড়ি থাকাসহ ইটভাটা স্থাপন নীতিমালা  পরিপন্থি হলেও এই ইটভাটার ব্যাপারে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও প্রভাবশালী ইটভাটা মালিকের বিরোদ্ধে কোন ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নিই।লোকমুখে শোনাযায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সংশ্লিদের ম্যনেজ করা হয় ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।