মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

দ্বিতীয় দফায় ভাসানচরের পথে চট্টগ্রাম পৌঁছেছে ১৭৭২ রোহিঙ্গা

শেয়ার করুন

রহমত উল্লাহ টেকনাফ থেকে:

দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচর নেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভাসানচরে যেতে আগ্রহী রোহিঙ্গা সদস্যরা চট্টগ্রামে পৌঁছেছে।

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পে থাকা ৪২৭ পরিবারের ১৭৭২ জন সদস্যের একটি দল আজ সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) স্বেচ্ছায় ভাসানচরের উদ্দেশে ক্যাম্প ছেড়ে চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম থেকে মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে ৫ টি জাহাজে করে তারা ভাসানচরের উদ্দেশে রওনা দেবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর দুপুরে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে স্থানান্তরের প্রথম ধাপে ১ হাজার ৬৪২ জন রোহিঙ্গা হাসিমুখে ভাসানচরে পৌঁছেছিল।

এ মাসের শুরুতে ভাসানচরে যাওয়া রোহিঙ্গাদের ওই দলটির সদস্যরা এসেছিল টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে। তাদের একদিন আগে বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে গাড়িতে এনে চট্টগ্রামে শাহিন স্কুলের ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল। সূত্রে জানা গেছে, এবারও সেভাবে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের।

মঙ্গলবার কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় দলটি ভাসানচরে পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন সাড়ে সাত লাখের বেশি নির্যাতিত রোহিঙ্গা। আগে আশ্রয় নেওয়াসহ বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে বসবাস করছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে ৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সরকার। সেখানে এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ভাসানচরের পুরো আবাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

শেয়ার করুন