৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ২২ মাঘ, ১৪৩২ | ১৬ শাবান, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে ডা. হালিদা হানুম আখতার, পরিদর্শন করবেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: আলোচিত আরসা কমান্ডার লালু গ্রেপ্তার   ●  অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিবৃতি   ●  দৈনিক নিরপেক্ষের স্টাফ রিপোর্টার হলেন তারেক আজিজ   ●  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় অ্যাডভোকেসি সেশন অনুষ্ঠিত    ●  উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবে ৮ নতুন সদস্য   ●  প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প   ●  উখিয়ায় একই পরিবারের দুই ভাই হত্যার পর আরেক ভাইকে কুপিয়ে গুরুতর জখম   ●  উখিয়ায় বেকারি মালিককে ছু’রি’কা’ঘা’ত, আটক ১   ●  খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সিবিআইউ ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

দেশের একটি মানুষও না খেয়ে কষ্ট পাবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যত বড় দুর্যোগই আসুক, বর্তমান সরকার তা মোকাবেলার ক্ষমতা অর্জন করেছে। তাই দেশের কোন মানুষই না খেয়ে কষ্ট পাবে না।
তিনি বলেন, আগামী বোরো ফসল পর্যন্ত আপনাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। সেই সঙ্গে বোরো ফসলের সমস্ত কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করবে সরকার।
হাওরে ফসলহানির পর রোববার সকালে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা শাহিদ আলী স্কুল মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাওরের ফসল যাতে আর নষ্ট হতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতেই দ্রুত বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে কাজ শুরু করবে সরকার। দ্রুত নদী এবং ভরাট হয়ে যাওয়া খাল বিল খননের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, একটি এলাকার ফসল নষ্ট হলেও  খাদ্যে ঘাটতি হবে না। সাহস নিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলা করতে হবে । বর্তমান সরকার সব সময় এ অঞ্চলের মানুষের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কেউ না খেয়ে কষ্ট পাবেন না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, আপনারা নিশ্চিত থাকবেন দুর্নীতি প্রমাণ হলে কেউই রেহাই পাবে না। শাস্তি পেতেই হবে। আগামী বছর কিভাবে বাঁধ নির্মাণ হবে, কখন করতে হবে এই নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে যাতে করে সঠিক সময়ে বাঁধ নির্মাণ হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চলমান ওএমএস এর কেন্দ্র ইউনিয়ন পর্যায়ে নেয়ার জন্য খাদ্য মন্ত্রনালয়কে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, দুর্যোগের সময় যারা জিনিসপত্রের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধে কীভাবে ব্যবস্থা নিতে হয় তা জানা আছে। সুতরাং কেউ মজুদদারি করে দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে পার পাবেন না।
পরে প্রধানমন্ত্রী ২০ জন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৩৮ কেজি চাল ও ১০০০ টাকা করে ত্রাণ দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ত্রাণ বিতরন শেষে প্রধানমন্ত্রী যাত্রাপুর গ্রামে গিয়ে সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের স্ত্রী জয়া সেনগুপ্ত।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।