মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

তৃতীয় দফায় ভাসানচরের পথে প্রায় ৮০০ রোহিঙ্গা

শেয়ার করুন

তৃতীয় দফায় স্থানান্তরের জন্য আরো প্রায় ৮০০ রোহিঙ্গা রওনা হয়েছে নোয়াখালীর ভাসানচরের উদ্দেশে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে রোহিঙ্গাদের বহনকারী ১৬টি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক এসব রোহিঙ্গাদের উখিয়া কলেজ ও কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কসংলগ্ন ঘুনধুম ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখা হয়। এর আগে স্বেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের চট্টগ্রাম জেটিঘাটে নিয়ে যেতে বাস ও মালবাহী গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলছেন, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা শিবিরে রয়েছে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গারা সংশ্লিষ্ট শিবিরে দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তার (সিআইসি) কাছে তালিকা জমা দেয়। কুতুপালং ডাব্লিউফোর ইস্ট ক্যাম্পের ১৩০টি পরিবার স্ব-ইচ্ছায় ভাসানচরে যেতে তাদের নামের তালিকা দেয় বলে রোহিঙ্গা শেড মাঝি সৈয়দ হোসেন জানিয়েছেন।

কক্সবাজার অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শামসুদ্দৌজা নয়ন জানান, স্বেচ্ছায় যেতে আগ্রহী প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গার তালিকা করা হয়েছে। তাদেরকে আগে উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ ও ঘুমধুম ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখান থেকে প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষে বাসে করে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে উখিয়া ছেড়ে গেছে ১৬টি বাস। যেখানে আট শতাধিক রোহিঙ্গা রয়েছে।

শামসুদ্দৌজা নয়ন আরো জানান, প্রথমে শিবির থেকে চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর জেটি ঘাটে, এর পর সেখান থেকে ট্রলারে করে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে স্বেচ্ছায় যেতে আগ্রহী তিন হাজার রোহিঙ্গাকে তালিকাভুক্ত করা হলেও এ সংখ্যা তিন হাজারের কম বেশি হতে পারে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন