মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফ ৪কিঃ মিটার সীবীচ সড়কের বড় বড় গাছপালা কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী চক্র

শেয়ার করুন


টেকনাফ সড়কের প্রায় ৪কিলোমিটার সীবীচ সড়কের উভয় পার্শ্বের শত শত মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র। এসব গাছপালা সরকারী উদ্যোগে কেটে নিলামে বিক্রি করা হলে সরকার বিপূল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারবে।
সরেজমিনে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের সীবীচ রোডের উভয় পার্শ্বে শত শত শিশুসহ নানা প্রজাতির মূল্যবান গাছপালা স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র কেটে নিয়ে নবনির্মিত স্থানীয় আলী আহমদের পুত্র আব্দুর রহমানের সমিলে ছিরাই করার জন্য মওজুদ করছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্টের পাশাপাশি সরকার বিপূল পরিমাণ রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। এই ব্যাপারে সদর ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহজাহানের নিকট জানতে চাইলে স্থানীয় লোকজন গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি স্থানীয় জনগন মারফতে জানতে পারেন,উপজেলা প্রশাসন হতে স্ব স্ব জমির মালিকদের গাছ কেটে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় লোকজন গাছপালা কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযুক্তদের অনেকে জানান। টেকনাফ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবছার উদ্দিন জানান,উক্ত সড়কটি দুই লেনে উপনীত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় স্থানীয় স্ব স্ব জমি মালিকেরা গাছপালা কেটে নিয়ে যাচ্ছে। টেকনাফ রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা তাপস কুমার পাল জানান,এই বিষয়টি আমি এই মাত্র শুনলাম। কালকেই সরেজমিনে গিয়েই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সফিউল আলম জানান,ব্যক্তি মালিকানাধীন ছাড়া সরকারী জায়গার গাছ কাটার এখতিয়ার কারো নেই। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হবে। কক্সবাজার জেলা এলজিইডিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়–য়ার নিকট জানতে চাইলে টেকনাফ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেন। তবে এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ গাছপালা প্রভাবশালীদের পেটে হজম করায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন