মূল খবরে যান

শিরোনাম
● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন

টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে ১ ডাকাত নিহত হওযার ঘটনায় মামলা: আটক-২

শেয়ার করুন

atok
টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে কুপিয়ে ২ আনসার সদস্যকে রক্তাক্ত করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ২আসামীকে আটক করা হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ দুপুরে চিহ্নিত ডাকাত সদস্য সাদেককে আটক করে আনার সময় ই-ব্লকের তার সহযোগী ডাকাত আবদুল হাফেজ (৩৫) আনসার সদস্য মোশারফ হোসেন ও হরিপদ দাশকে কুপিয়ে সাদেককে ছিনিয়ে নেয়। আনসার সদস্যরা আতœরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করলে ডাকাত আব্দুল হাফেজ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় ই-ব্লকের ডাকাত রফিক গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাহাড়ে পালিয়ে যায় ও সি ব্লকের আব্দুল হাফেজের ভাগিনাও গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল হতে ডাকাত আব্দুল হাফেজকে আটক করে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার হাসপাতালে নেওয়া হলে সে মৃত্যু বরণ করে। দার কোপে রক্তাক্ত আনসার সদস্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার পর রোহিঙ্গা অপরাধীদের সঙ্গে বিশেষ মহলের দহরম-মহরম সম্পর্ক ও বেপরোয়া আনা-গোনাকে দায়ী করছে। ১৬ মার্চ গভীর রাতে নিহত ডাকাত আব্দুল হাফেজকে স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। অপরাধীরা আশ্র-প্রশ্রয় পাওয়ার কারণে প্রচলিত আইন,ক্যাম্প প্রশাসনের নিয়মের তোয়াক্কাই করেনা। মুলত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় অপরাধী চক্রের যোগ-সাজশের কারণে মাঝে-মধ্যে ক্যাম্প প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ক্যাম্প ইনচার্জ জালাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে নৃশংস ঘটনার ব্যাপারে ১১জনকে নামীয় ও অজ্ঞাতনামা ১০/১২জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং এই ব্যাপারে আব্দুল মোনাফ ও রশিদ উল্লাহ নামে ২জনকে আটক করা হয়েছে।

শেয়ার করুন