মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফে রোহিঙ্গা বস্তির জীবন : খাদ্য পানীয় ও চিকিৎসা সংকটের পাশাপাশি রাত কাটে পাহারা বসিয়ে

শেয়ার করুন

Teknaf Pic-(A)-05-04-15
টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা বস্তির ২ হাজার পরিবারের সদস্যরা চৈত্রের রোদ ফাটা গরমে খাবার, পানীয় জল ও চিকিৎসা সংকটের পাশাপাশি ডাকাত চক্রের আতংকে রাত জেগে পাহারা বসিয়েছে।
সরেজমিন রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শনে দেখা যায়, উপজেলার হ্নীলাস্থ লেদা রোহিঙ্গা বস্তির ৬টি ব্লকের ২ হাজার ৯২ পরিবারের ১৫ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশু বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। সরকারী-বেসরকারীভাবে রেশন প্রথা চালু না থাকায় এই বস্তির রোহিঙ্গারা অর্ধাহার-অনাহারে থাকার পাশাপাশি নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আদৌ পর্যন্ত কোন সংস্থা এই সেবায় এগিয়ে আসেনি। তাই আমাশয়,ডায়েরিয়া, ম্যালেরিয়া, জন্ডিসসহ নানা রোগে আক্রান্তরা চিকিৎসা বঞ্চিত রয়েছে। এখন চৈত্রের খরতাপে পানির চাহিদা বলে শেষ করা যাবেনা। পানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এখন এসব রোহিঙ্গা ব্যবহার্য ও পানীয় পানির জন্য ছুটছে নদী, খাল, পুকুর, পাহাড়ী ছড়া ও পাশ্ববর্তী গ্রামে। পুকুরে পানি আনতে গিয়েই পানিতে ডুবে এক শিশুর নির্মম মৃত্যু হয়। এসবের পরও রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছেনা চোর-ডাকাতের ভয়ে। বেশ ক‘বার দূর্বৃত্ত দল হানা দিয়ে বস্তিতে হানা দিয়ে লুটপাট চালানোর পাশাপাশি গুলাগুলি করে ভীতি সৃষ্টি করার ঘটনা ঘটিয়েছে। তাই রোহিঙ্গারা জান-মাল রক্ষার্থে অনেকে টাকা দিয়ে ভাড়াটে লোক দিয়ে পাহারা দিলেও গরীবদের রাত জেগে পাহারায় থাকতে হচ্ছে। এই ব্যাপারে আলমাস খাতুন বলে ভাই আরা বেশী কষ্টত আছি। কিয়া সাহায্য নগরের দ্দে। ভাত নাই, পানি ন পাই, ডাক্তার নাই, রাতিয়া চোর-ডাকাত আইয়্যে। বেশী ডরত আছি। ইলিয়াছ বলেন ভাই আরা রোয়াইনগ্যা। আরাত কন কথা হইত ন পারি। উয়রের আল্লাহ জানে। তবে রোহিঙ্গা বস্তির এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে মানবিক সংকট আরো বাড়তে পারে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

শেয়ার করুন