২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

টেকনাফে গলায় ফাঁস লাগিয়ে যুবতীর আত্মহত্যা

images

টেকনাফে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক যুবতী আত্মহত্যা করেছে। ৯ মার্চ সোম বার দিবাগত রাতে সর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হাবিরছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকার সিএনজি চালক নুর আলম ৭ মাস পূর্বে সাবরাং ইউনিয়নের চান্দলী পাড়া বাহারছড়া এলাকার ইয়াছমিন আক্তার (২২) কে মোবাইল প্রেমের সূত্রধরে ২য় স্ত্রী হিসাবে বিয়ে করে। নুরুল আলমের ১ম স্ত্রী শাহেনা আক্তারের সাথে আত্মহত্যাকারী ২য় স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারের সাথে প্রায় সময় ঝগড়া হত। নুরুল আলম স্থানীয় শালিশের মাধ্যমে ২ মেয়েসহ ১ম স্ত্রীকে অন্যত্র রেখে ২য় স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চালিয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী কয়েকজন জানায় ২য় স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার প্রায় সময় আত্মহত্যা করে সবাইকে জেলে পাঠাবে এ রকম হুমকি দিয়ে আসত। অবশেষে ৯ মার্চ সোম বার স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুবাদে দিবাগত গভীর রাতে উঠানের আম গাছের সাথে ওড়না পেছিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

ঘটনার খবর সোম বার ভোরে টেকনাফ মডেল থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকারকে জানানো হয়েছে।
এদিকে বিশেষ সূত্রে জানা যায় ৮ মাস পূর্বে সাবরাং ইউনিয়নের চান্দলী পাড়া বাহারছড়া এলাকার ইয়াছমিন আক্তার (২২)এর সাথে মোবাইল মিস কলের সূত্র ধরে নুরুল আলমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। একমাস মোবাইলে প্রেম চলার পর চান্দলী পাড়া বাহারছড়া এলাকায় ইয়াছমিন আক্তার এর সাথে দেখা করতে যায় নুরুল আলম। এ সুযোগে নুরুল আলমকে ইয়াছমিন আক্তার এর আত্মীয় স্বজন বাড়ীতে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে ১ম স্ত্রী শাহেনা গিয়ে ইয়াছমিনকে নিজের স্বামীর ২য় স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করে হাবিরছড়া নিয়ে আসে।
অপরদিকে নুরুল আলমের বড় ভাই এখনো বিয়ে করেনি। মাত্র ২৫ বৎসর বয়সে নুরুল আলমের ২ স্ত্রী ২ কন্যা ও সব সময় পারিবারিক জট ঝামেলা ভাল চোখে দেখছেনা এলাকার লোক জন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।