মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

টেকনাফে গলায় ফাঁস লাগিয়ে যুবতীর আত্মহত্যা

শেয়ার করুন

images

টেকনাফে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক যুবতী আত্মহত্যা করেছে। ৯ মার্চ সোম বার দিবাগত রাতে সর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হাবিরছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকার সিএনজি চালক নুর আলম ৭ মাস পূর্বে সাবরাং ইউনিয়নের চান্দলী পাড়া বাহারছড়া এলাকার ইয়াছমিন আক্তার (২২) কে মোবাইল প্রেমের সূত্রধরে ২য় স্ত্রী হিসাবে বিয়ে করে। নুরুল আলমের ১ম স্ত্রী শাহেনা আক্তারের সাথে আত্মহত্যাকারী ২য় স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারের সাথে প্রায় সময় ঝগড়া হত। নুরুল আলম স্থানীয় শালিশের মাধ্যমে ২ মেয়েসহ ১ম স্ত্রীকে অন্যত্র রেখে ২য় স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চালিয়ে যায়। পার্শ্ববর্তী কয়েকজন জানায় ২য় স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার প্রায় সময় আত্মহত্যা করে সবাইকে জেলে পাঠাবে এ রকম হুমকি দিয়ে আসত। অবশেষে ৯ মার্চ সোম বার স্বামী বাড়ীতে না থাকার সুবাদে দিবাগত গভীর রাতে উঠানের আম গাছের সাথে ওড়না পেছিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

ঘটনার খবর সোম বার ভোরে টেকনাফ মডেল থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকারকে জানানো হয়েছে।
এদিকে বিশেষ সূত্রে জানা যায় ৮ মাস পূর্বে সাবরাং ইউনিয়নের চান্দলী পাড়া বাহারছড়া এলাকার ইয়াছমিন আক্তার (২২)এর সাথে মোবাইল মিস কলের সূত্র ধরে নুরুল আলমের সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয়। একমাস মোবাইলে প্রেম চলার পর চান্দলী পাড়া বাহারছড়া এলাকায় ইয়াছমিন আক্তার এর সাথে দেখা করতে যায় নুরুল আলম। এ সুযোগে নুরুল আলমকে ইয়াছমিন আক্তার এর আত্মীয় স্বজন বাড়ীতে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে ১ম স্ত্রী শাহেনা গিয়ে ইয়াছমিনকে নিজের স্বামীর ২য় স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করে হাবিরছড়া নিয়ে আসে।
অপরদিকে নুরুল আলমের বড় ভাই এখনো বিয়ে করেনি। মাত্র ২৫ বৎসর বয়সে নুরুল আলমের ২ স্ত্রী ২ কন্যা ও সব সময় পারিবারিক জট ঝামেলা ভাল চোখে দেখছেনা এলাকার লোক জন।

শেয়ার করুন