২৯ জুন, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

জেলাব্যাপী কদর বাড়ছে শান্তির প্রতীক হাতপাখার!

ha
বসন্তের গরমের ছোঁয়ায় জেলাজুড়ে ব্যাপক আকারে কদর বাড়ছে দিন দিন শাস্তির প্রতীক হাতপাখার। গরম আর লোডশেডিং মিলে দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে একটু শান্তি দেয় হাতপাখা। আর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় হাত পাখার চাহিদা বর্তমান সময়ে বাড়ছে। জানা যায়, জেলার আট উপজেলা তথা পেকুয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, উখিয়া, টেকনাফ, রামু ও কক্সবাজার সদরের প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জে সব বয়সী নারী পুরুষদের মাঝে হাতপাখার কদর দ্বিগুন আকারে বেড়েই চলছে চলতি সময়ে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার নানা স্থানে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী তালপাতার পাখা তৈরী করছে বলেও জানা যায়। ঐসব গ্রামে হাত পাখার শিল্পীরা দীর্ঘদিন ধরে এই তালপাতার হাত পাখা তৈরীর পাশাপাশি কাপড়ের পাখা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে চলছে বলেও একাধিক সূত্রে প্রকাশ। আবার নানা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের মেয়েরা বাড়ীর আঙ্গিনায় বসে বসে দল বেঁধে হরেক রকম কাপড়ের উপর নকশা করে নকশীকাঁথার হাতপাখা তৈরী করে সদরের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজার সহ জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করতে দেখা যায়। তবে হাতপাখার সাইজ অনুসারে দাম নিচ্ছে বিক্রেতারা। একাধিক নক্শীকাথার তৈরী করা হাতপাখার শিল্পিদের মতে, পৃষ্ঠপোষকতা পেলেই দেশে অর্থনীতিতে এই শিল্পের চাহিদা বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।