মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু

জেনে নিন সবসময়ই খুশি থাকার গোপন রহস্য!

শেয়ার করুন

চারপাশে ভালো করে তাকান। দেখুন, ঠিক আপনার পাশেই কিছু মানুষ রয়েছেন যাদেরকে মন খারাপ অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়না বললেই চলে! কষ্ট? এই নামের কোন জিনিসের সাথে কখনো যেন দেখাই হয়নি এদের। সামনে যা দেখছে সেখান থেকেই যেন বেঁচে থাকার উপকরণ খুঁজে নিচ্ছেন তারা। করে তুলছেন নিজের চারপাশটাকে আনন্দময়। কি ভাবছেন? নিশ্চয়ই অনেক ভালো ঘটনায় পূর্ণ এই মানুষগুলোর জীবন? না! ঠিক তা নয়। কিন্তু তাহলে এই মানুষগুলো কেন সবসময়ই খুশি থাকে? জানতে চান? জেনে নিন এখুনি।

১. কম আশা

কষ্ট মানুষ তখনই পায় যখন নিজের ভাবনার সাথে বাস্তবটা মেলেনা। অনেকটা বেশি আশার ফলাফল প্রায় সময়ই অনেক আরো বেশি কষ্টই। আর এই মানুষগুলো কখনোই খুব বেশি আশা করেন না করো কাছ থেকে। আর অতিরিক্ত আশা না থাকায় আশা পূরন না হবার কষ্টও থাকেনা তাদের ভেতরে খুব একটা।

২. দিবাস্বপ্ন

খেয়াল করে দেখুন আপনার পাশের এই হাসিখুশি মানুষগুলো খুব বেশি বাস্তববাদী। আপাতদৃষ্টিতে না হলেও মনে মনে তারা সত্যিকে সত্যি বলেই মেনে নেন। কোন কারন ছাড়াই চোখের সামনে একটা পর্দা ঝুলিয়ে রাখেননা। আর তাই এই মানুষগুলোর দেখা দু-একটা সত্যিকারের স্বপন্ কখনো ভেঙে তাদেরকে কষ্ট দেয়না।

৩. সন্তুষ্ট

খুশি মনের মানুষেরা কখনোই নিজেদের যেটুকু আছে সেটার বাইরে ভাবেননা। বরং সেটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকেন। ফলে নিজের যতটুকু আছে ততোটুকুর ভেতরেই নিজেদের খুশিকে আটকে রাখতে পারেন তারা। অতিরিক্ত কিছুর পেছনে দৌড়ান না। কারন? কে না জানে, সুখ কখনোই পর্যাপ্ত হয় না।

৪. উদাসীন ও স্বার্থপর

এই মানুষগুলো একই সাথে উদাসীন আর স্বার্থপর। জীবনের ছোটখাটো ঝামেলাগুলোকে নিয়ে এরা পড়ে থাকেন না। বরং নতুন কিছুর জন্যে সামনে এগিয়ে যান। নিজেদের ছোটখাটো ঝামেলার ক্ষেত্রে এরা খুবই উদাসীন। তবে এর উল্টোটা এরা নিজেদের চাওয়ার ক্ষেত্রে। প্রথমেই নিজের পাওনাটুকু আদায় করে নিতে এদের জুড়ি নেই। অন্যের জন্যে নিজেরটুকু ছেড়ে এরা খুব কম সময়ই দেন। নিজেকে ভালো রাখতে এরা যথেষ্ট স্বার্থপরতার পরিচয় দেন।

৫. পরীক্ষা

নিজেদের জিন নিয়ে পরীক্ষা করতে খুব ভালোবাসেন এই মানুষগুলো। খুব সহজেই নতুন জায়গা আর মানুষের সাথে মানিয়ে নিয়ে জীবনের খুব ছোট্ট খুশিগুলোকেও আকড়ে ধরেন। খুঁজে নেন নিজের ভালোলাগাকে।

৬. ইতিবাচক

সবক্ষেত্রেই একটা ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দেন এই মানুষগুলো। নিজের সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন থেকেই বর্তমানে বেঁচে থাকেন। কখনোই অতীত অথবা ভবিষ্যতের ঠুনকো ভাবনায় জড়িয়ে রাখেন না।

৭. সুযোগ নেওয়া

জীবনের প্রতিটা সুযোগকেই কাজে লাগাতে চান এই হাসিখুশি মানুষগুলো। আর কোনো কাজকেই ছোট করে দেখেন না। প্রতিনিয়ত সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান সামনের দিকে। নিজের উন্নতির দিকে।

৮. পরিকল্পনা

কোনো কিছু করবার আগেই একটা পরিকল্পনা করে নেন এরা। আর জীবনের প্রতিটা দিন থেকেই শিক্ষা নেন। ফুটিয়ে তোলেন নিজের পরিকল্পনা আর শিক্ষাকে অনেকটা সময় নিয়ে।

তথ্যসূত্র- লাইফহ্যাক

শেয়ার করুন