৪ মে, ২০২৬ | ২১ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

জিপিএ’ পরিবর্তন হয়ে ‘জিপি’ হতে পারে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরীক্ষার ফল তৈরিতে চলমান গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার নিয়ে বেশ আলোচনা হলেও আপাতত বিষয়টির কোনো সুরাহা হচ্ছে না। ফলে এবারও জিপিএ-এর সর্বোচ্চ ধাপ ৫ ই থাকছে।

জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা থেকে চলতি বছর জিপিএ পদ্ধতি সংস্কারের চিন্তা করছিল সরকার। কিন্তু প্রস্তুতি ও পরামর্শ কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় তা হচ্ছে না।
এছাড়া সংস্কার প্রস্তাবের পর একাধিক বিকল্প প্রস্তাব আলোচনা করতে গিয়ে জিপিএর পরিবর্তে শুধু ‘জিপি’-তে (গ্রেড পয়েন্ট) ফল তৈরির প্রস্তাবও এসেছে।
এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, সনাতনী পদ্ধতি বাতিল করে ২০০১ সালে জিপিএ চালু করা হয়। ইতিমধ্যে ১৮ বছর চলে যাওয়ায় এ পদ্ধতি সংস্কারের বিষয়টি সময়ের দাবি। কিন্তু আমরা হুট করে বা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন কিছু চাপিয়ে দেব না।
তিনি বলেন, এ জন্য শিক্ষক, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক এবং সাংবাদিকসহ অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। সেটি শেষ করে পদ্ধতিটি চালু করা হবে। আমরা এখন সেই সময়টা নিচ্ছি। পাশাপাশি এর প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে।
বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিটের (বেডু) পরিচালক অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, সংস্কার প্রস্তাব আসার পর আমরা বিভিন্ন মডেল তৈরির কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চর্চা, বিভিন্ন দৃষ্টান্ত এবং শিক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা, পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই চলছে। বিষয়টি সময়সাপেক্ষ।
তিনি বলেন, প্রমাণ ও উপাত্তের জন্য ট্রাইআউট (পদ্ধতির পরীক্ষা) ও পাইলটিং (পরীক্ষামূলক প্রবর্তন) দরকার। এরপর প্রাপ্ত উপাত্ত যাচাই এবং বিশ্লেষণ দরকার। মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রমাণ ও উপাত্ত নিয়ে অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা ও কর্মশালার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া আছে প্রস্তাব অনুমোদনে আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এসব কাজের জন্যই সময় প্রয়োজন হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।