মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

জালালাবাদে গ্রামবাসীর উদ্যোগে বৃষ্টির জন্য কোরান তেলাওয়াত, জিকির, নামাজসহ তিন দিনব্যাপী প্রার্থনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

শেয়ার করুন

shomoy
কক্সবাজার সদর উপজেলার জালালাবাদে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ফসলী জমিতে বৃষ্টির জন্য মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে কোরান তেলাওয়াত, জিকির, নামাজসহ প্রার্থনা করেন শত শত লোকজন। জানা যায়, ২২ মার্চ থেকে ৩দিন ব্যাপী ফসলী জমিতে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা ও দোয়া মাহফিলের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় জালালাবাদ ইউনিয়নের মোহনবিলা গ্রামে। তার পাশাপাশি (দমকা বিলের ফসলী মাঠে) কৃষকসহ এলাকাবাসী নফল নামাজ, কোরান তেলাওয়াত, জিকির ও আল্লাহ তাআলার কাছে অশ্রুসিক্ত নয়নে বৃষ্টির জন্য বিশেষ মুনাজাত করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন- পালাকাটার হাফেজ এমদাদুল হক,  সচেতন যুবক বেদারুল ইসলামসহ এলাকার সর্বপেশার বিপুল সংখ্যক লোকজন। এদিকে বৃহত্তর ঈদগাঁওতে হাজার হাজার একর ফসলী জমি বিগত ২০ দিন ধরে ফেটে চৌচির হয়ে পানির অভাবে হাহাকার অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যার ফলে এলাকার লোকজন বৃষ্টির আশায় প্রার্থনা করছেন বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে উপস্থিত যুবক বেদারুল ইসলাম আজকের কক্সবাজারকে জানান, এলাকার শত শত লোকজন ৩দিন ধরে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য মোনাজাত অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। এদিকে, বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়নে খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে চৌচির হয়ে পড়ার কারনে মারাত্মক সংকটে পড়েছে ঈদগাঁও’র অধিকাংশ কৃষক সমাজ। স্বচ্ছল কৃষক পরিবারগুলো নলকূপ দিয়ে সেচ সংকট নিবারণ করতে সক্ষম হলেও অস্বচ্ছল কৃষক পরিবারগুলো যেন মাথায় হাত দেওয়ার উপক্রম শুরু হয়েছে। এদিকে প্রান্তিক বুরো চাষীরা পড়েছে মহা সংকটে। তারা যেন অর্থের দিকে চেয়ে না থেকে যে কোন মূল্যে তাদের কষ্টার্জিত চাষাবাদ টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে মহা তোড়জোড় শুরু করতে দেখা যায়। সব কথার এক কথা হচ্ছে ফসল বাঁচানো। অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে বৃহত্তর এলাকায় খাল-বিল, নদীতে পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। নাব্যতা হারিয়ে প্রবাহিত খাল-বিলে শুকিয়ে গেছে পানি। তার সাথে দেখা যাচ্ছে যে, ঈদগাঁও নদীতে নলকূপ বসিয়ে নদীর পার্শ্ববর্তী ফসলী জমি ফেটে চৌচির হওয়া জমিগুলোতে পানি দিচ্ছে অসহায় কৃষক সমাজ। এনিয়ে অনেক চাষীদের মাঝে একটু স্বস্তি ফিরে এলেও অন্যদের মাঝে হতাশার কালোছায়া দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন