মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

জানুয়ারী মাসে টেকনাফ স্থলবন্দরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পৌনে ৮কোটি টাকার রাজস্ব আয়

শেয়ার করুন


জানুয়ারী মাসে টেকনাফ স্থলবন্দরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে পৌনে ৮কোটি টাকার বেশী রাজস্ব আয় হয়েছে।
সুত্রে জানা যায়-গত জানুয়ারী ২০১৭সালে টেকনাফ স্থলবন্দর কাস্টম্স ৩৫২টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে আমদানী রপ্তানী খাতে ১৭কোটি ৭লাখ ৬৮হাজার ৬শ ১৮টাকার রাজস্ব আদায় করেছে। যা সরকার নির্ধারিত ৯কোটি ৯৯লাখ টাকা লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ৭কোটি ৭৭লাখ ৮হাজার ৬১৮টাকা বেশী। অপরদিকে রপ্তানি খাতে ৬৩টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে ২কোটি ৫৭লাখ ৭৫হাজার ৩৯টাকা রাজস্ব আয় করেছে। শুটকী, কাঠ, হলুদ, মসল্লা জাতীয় দ্রব্য, কাঁচা মাছ, আচার, বাঁশ, গোলপাতা এবং পশু আমদানী খাত থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে। তম্মধ্যে করিডোর খাতে ২৬লাখ ৪৮হাজার টাকা রয়েছে। মিয়ানমারে রপ্তানি যোগ্য পণ্য হচ্ছে রড, সিমেন্ট, চুল, ষাড়ের ফেনিক্স, কচ্চপ খোলস, প্লাস্টিক, এ্যালমোনিয়া ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী ইত্যাদি। গত নভেম্বর মাসে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের কারণে আমদানী-রপ্তানী ক্ষনিক বন্ধ থাকায় রাজস্ব আয় কমে আসে। স্থলবন্দর ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্টদের তৎপরতার কারণে এই বন্দরে আবারো রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেল। সীমান্তে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজমান থাকলে রাজস্ব আয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে টেকনাফ স্থলবন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

শেয়ার করুন