মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

চাচা কর্তৃক ৬ বছরের ভাতিজী ধর্ষণ!

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার রামু থানাধীন জোয়ারিয়ানালা এলাকায় এলাকায় ছয় বছরের একটি শিশুকে তার দূর-সম্পর্কের চাচা চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখাইয়া বাড়ির পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে অফিসার ইনচার্জ রামু থানা জনাব একেএম লিয়াকত স্যারের নির্দেশে তৎক্ষণাৎ এস আই/ টিটু দত্তের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে নিম্নে বর্ণিত আসামি আবুল মনসুর প্রকাশ গুরা পুতিয়া(২২) পিতা:- শফিক আহমদ, সাং-সাওদাগরপাড়া, জোয়ারিয়ানালা, থানা-রামু, কক্সবাজারকে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করি। গ্রেপ্তার পরবর্তী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত আসামি জানাই যে, অনুমান একমাস পূর্বে গত ২৮/০৩/২০১৮ইং বেলা ১১:৩০ ঘটিকার সময় তার মাথায় খারাপ চিন্তা আসলে সে ভিকটিম ক(৬) কে চকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখাইয়া তার বাড়ির পাশে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। উক্ত আসামি ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য ভিকটিমকে নিষেধ করে। পরবর্তীতে victim শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করলে তার পিতামাতা তাকে সূর্যের হাসি চিহ্নিত পারিবারিক স্বাস্থ্য ক্লিনিক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় মহিলা ডাক্তার ভিকটিমকে পরীক্ষা করিলে ধর্ষণের আলামত পরিলক্ষিত হয়। বিষয়টি ভিকটিমের পিতা-মাতাকে অবহিত করিয়া ভিকটিমকে নিবিড় ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে victim ডাক্তারকে ঘটনাটি জানাইলে তিনি মানবিক বিবেচনায় সাথে সাথে মোবাইল ফোনে আমাকে অবহিত করেন। আমি ভিকটিমকে তাহার পিতা-মাতাসহ থানা এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় অফিসার ইনচার্জ মহোদয়কে অবহিত করিলে স্যার বর্ণিত আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০এর ৯(১) ধারা মোতাবেক নিয়মিত মামলা রুজু করে তদন্তভার আমার উপর অর্পণ করেন। গ্রেফতারকৃত আসামিকে অদ্য বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করিলে সেই নিজের দোষ স্বীকার করিয়া সেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

শেয়ার করুন