৫ জুন, ২০২৬ | ২২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৮ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পদমর্যাদা পেয়েছেন গ্রাম পুলিশ

১৭৯৩ থেকে ২০১৯ সাল। ২২৬ বছরের ইতিহাস। সরকারের কাজ করলেও বেতন পেতেন না সরকারি কর্মচারীদের নিয়মে। রাতদিন কর্তব্য পালনে নিয়োজিত থেকে ৬ হাজার টাকা পেতেন, যার অর্ধেক দিত ইউনিয়ন পরিষদ। ফলে সামাজিক কোনো অবস্থান ছিল না তাদের। একরকম দাসত্বের শৃঙ্খলে জড়িয়ে ছিলেন এই গ্রামপুলিশ পেশা।

অবশেষে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে মর্যাদা পেলেন গ্রামপুলিশ তথা ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার ও মহল্লাদাররা। সর্বশেষ সরকারি বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন তারা ২০ হাজার টাকার বেশি। থাকছে পেনশন সুবিধা। প্রতিটি ইউনিয়নে মোট নয়জন করে দেশে মোট দফাদার ও মহল্লাদার রয়েছেন ৪৭ হাজার। হাইকোর্টের এক রায়ে তাদের দাসত্ব ঘুচল। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব। ঢাকা টাইমসের সঙ্গে একান্ত আলাপে তিনি তুলে ধরেছেন গ্রামপুলিশের ২২৬ বছরের বঞ্চনার ইতি টানার লড়াইয়ের গল্প।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।