১১ এপ্রিল, ২০২৬ | ২৮ চৈত্র, ১৪৩২ | ২২ শাওয়াল, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা   ●  উখিয়ায় বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ   ●  জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেলেন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির শিক্ষার্থী নুসাইবা ইরতিফা নুযহা   ●  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে বিতর্ক, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালির আর্তনাদ   ●  কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত উৎসব সম্পন্ন ও ভর্তি মেলা উদ্বোধন

চট্টগ্রামে কোটি টাকার সোনা ছিনতাই

ছিনতাইচট্টগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকার ২৭টি স্বর্ণবার ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার রাতে বন্দরনগরীর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের অদূরে ঘটে এই ঘটনা। এ ঘটনায় গতকাল মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পতেঙ্গা থানা পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর মাহমুদ জানান, থানায় এখনো লিখিতভাবে কেউই অভিযোগ করেনি। তবে স্থানীয়দের তথ্যমতে মাসুদ নামে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনা সত্যি।
পুলিশ জানায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় রিজেন্ট এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ওমান প্রবাসী হাটহাজারীর এক ব্যক্তি স্বর্ণবারগুলো নিয়ে আসেন। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বাহক মাসুদের কাছে সেগুলো হস্তান্তর করেন তিনি। শনিবার রাত ৮টার দিকে মাসুদ স্বর্ণবারগুলো নিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে নেভাল রোডে আসেন।
এরপর গোয়েন্দা বিভাগের অভিযান দল পরিচয় দিয়ে কয়েকজন লোক তাকে জোর করে একটি কালো রংয়ের মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের দিকে প্রায় আধা কিলোমিটার গিয়ে স্বর্ণবারগুলো কেড়ে নিয়ে তাকে মাইক্রোবাস থেকে নামিয়ে দেয়া হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মাসুদকে মাইক্রোবাসে তোলার সময় সেখানে কয়েকজন স্থানীয় লোক বিষয়টি দেখতে পান। তবে পুলিশ অপরাধীকে আটক করছে ভেবে এ সময় তারা নিশ্চুপ থাকেন। ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত মাইক্রোবাসের নম্বর চট্ট মেট্রো-১১-৬২৬৫। কিন্তু ঘটনার পর সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের বন্দর জোনের একটি দল বিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাই করেছে বলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে খবর পৌঁছে। এতে তোলপাড় সৃষ্টি হয় সিএমপির কর্মকর্তাদের মধ্যে।
সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. মারুফ হাসান জানান, তারা এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। ঘটনার সময় বিমানবন্দর এলাকায় পুলিশের কোনো অভিযান দল ছিল না।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।