২৫ জুলাই, ২০২৬ | ১০ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১০ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ

চকরিয়ায় ২২ বছরেও গ্রেফতার হয়নি মামলার সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামী!

আটক
চকরিয়ায় ২২ বছর আগে একটি মামলায় সাজা পরওয়ানা মাথায় নিয়ে প্রকাশ্যে ত্রাস ও অপহরণ বাণিজ্য চালিয়ে গেলেও পুলিশের হাতে ধরা পড়ছে না খুটাখালী ইউনিয়নের পূর্ণগ্রামের দু’সহোদর। এ নিয়ে এলাকাবাসী থানা পুলিশের শরণাপন্ন হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ সন্ত্রাসী ও সাজা প্রাপ্ত দু’সহোদরকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র মতে, খুটাখালী ইউনিয়নের পাহাড়ী এলাকা পূর্ণগ্রামের জনৈক মোজাফ্ফর আহমদের পুত্র আব্দুর রহমান ও তার ভাই শামসুল আলমের বিরুদ্ধে থানায় দায়েরকৃত মামলা যার নং- ১১/১৯৯৪ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাজা হলেও ২২ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি। ফলে ওই সাজাপ্রাপ্ত সহোদর কক্সবাজার সদরের ঈদগাহ, রামু থানার গর্জনিয়া, চকরিয়ার খুটাখালী, ডুলাহাজারা ও লামার ফাঁসিয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের আস্তানা হিসেবে পরিগণিত করে বীরদর্পে অপহরণ ডাকাতিসহ নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে ওই এলাকার বাসিন্দা মৃত আমির মোহাম্মদ সিকদারের পুত্র আমির আব্দুল বারেক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ চকরিয়া থানায় একাধিকবার অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি বলে দাবী করেছেন। গত ১ বছরে এসব সন্ত্রাসীদের হাতে অন্তত ১৫ জন ব্যক্তি অপহৃত হয়েছে। অপহরণের শিকার বেশিরভাগ মানুষ তাদেরকে মুক্তিপন দিয়ে ছাড়া পেয়েছে। ##

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।