২ আগস্ট, ২০২১ | ১৮ শ্রাবণ, ১৪২৮ | ২২ জিলহজ, ১৪৪২


শিরোনাম
  ●  উখিয়ায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় এপিবিএন সদস্য কারাগারে   ●  শোকের মাস আগস্ট; মো. আলী আশরাফ মোল্লা   ●  বান্দরবানে যুব পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন   ●  করোনাকালে কক্সবাজারবাসী’র বন্ধু ‘নজিব’   ●  কঠিন দুঃসময় আমাদের; মো. আলী আশরাফ মোল্লা   ●  উখিয়ায় সৃষ্ট বন্যায় নিহতদের পরিবারকে স্কাসের সহায়তা প্রদান   ●  তিনদিন ব্যাপী ফ্রি সাংবাদিক প্রশিক্ষণের রেজিষ্ট্রেশন শুরু   ●  টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের জমি’পরিদর্শনে দুই বাহিনীর প্রধান   ●  গৃহবধু কলির নিহতের ঘটনার আসামী ঘাতক জিয়াউর রহমানকে হন্য হয়ে খুঁজছে পুলিশ   ●  পুলিশের আইজি ও র‍্যাব মহাপরিচালক কক্সবাজারে

গ্রামীণফোনের ৫০ টাকার সিম ৫০০ টাকা

বাজারে গ্রামীণফোনের সিম সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও যাচ্ছে না। আর এই সুযোগে সিমের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে খুচরা বিক্রেতারা। গ্রামীণফোনের সিম চাইলে বিক্রেতারা বলছে, সিম নেই। জরুরি প্রয়োজনের কথা বোঝালে বেশি দাম হাঁকছে। ৫০/১০০ টাকা দামের সিম বিক্রি করছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

গ্রামীণফোন জানিয়েছে, তাদের সিম সংকট চলছে। কারণ তাদের নামে বরাদ্দ করা সিমের কোটা শেষ। তবে গ্রামীণফোন সেন্টারে (কাস্টমার কেয়ার) গেলে সিম পাওয়া যাবে ন্যায্য দামেই। এছাড়া সিম হারিয়ে গেলে, চুরি হলে বা নষ্ট হলে গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়ে সিম রিপ্লেস করা যাবে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ ফেব্রুয়ারি গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, গ্রামীণফোনের যেসব সিম বাজারে রয়েছে, তা এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। ওই সময়ের পরে বাজারে গ্রামীণফোনের সিম (০১৭… ও ০১৩… নম্বর সিরিজ) পাওয়া যাবে না। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গ্রামীণফোনের হাতে কোনও সিম নেই। খুচরা বিক্রেতাদের হাতে কিছু সিম রয়েছে। সেগুলো শেষ হয়ে গেলে সিম সংকট শুরু হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সিম রিসাইকেলের (পুরনো বন্ধ সিম নির্দিষ্ট সময়ের পরে বিক্রির জন্য রেডি করা) জন্য বিটিআরসির অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। সিম রিসাইকেলের জন্য ৩০ লাখের বেশি সিম জমা আছে। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, বাজারে বর্তমানে প্রতিদিন গ্রামীণফোনের ৫০ হাজার সিমের চাহিদা রয়েছে।

গত দুই দিন রাজধানীর মিরপুর এলাকা ঘুরে কোনও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে গ্রামীণফোনের দুটি নম্বর সিরিজের কোনও সিম পাওয়া যায়নি। তবে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকে এক খুচরা বিক্রেতার (মোবাইল রিচার্জ ও সিম বিক্রেতা) কাছে এই প্রতিবেদক সিম চাইলে প্রথমেই বলেন, গ্রামীণফোনের সিমের সাপ্লাই নেই। কোথায় পাওয়া যাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশি টাকা দিলে তিনিই দিতে পারবেন। তার কাছে প্রি-পেইড ও পোস্ট পেইড মিলিয়ে তিনটি সিম ছিল। অনেক দরদাম করে শেষ অবধি ৫০০ টাকায় একটি সিম পাওয়া যায়।

বিষয়টির খোঁজ করতে রাজধানীর শনিরআখড়ার দনিয়ায় এক পরিচিত একজনের মাধ্যমে খোঁজ নিলে তিনিও একই কথা জানান। তার এলাকায় গ্রামীণফোনের কোনও সিমই (০১৭… ও ০১৩…) নেই। তিনি খুঁজে কোথাও সিম পাননি। তবে ওই এলাকার গ্রামীণফোন সেন্টারে গিয়ে তিনি সিম পেয়েছেন।

সিম সংকটের বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হলে গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল কমিউনিকেশন মুহাম্মদ হাসান বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার পর সিম সংকটের বিষয়টি গত ১২ মার্চ সাময়িকভাবে সমাধান হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের আগে যেসব গ্রাহক সমস্যায় পড়েছিলেন তাদের কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশে এখন নানা ধরনের বিধিনিষেধ চলছে যেখানে ক্ষেত্র বিশেষে আমাদের খুচরা বিক্রেতারাও সমস্যায় পড়ছেন। তবে গ্রাহকরা চাইলে নির্দিষ্ট সময়ে আমাদের গ্রামীণফোন সেন্টার থেকেও সিম সংগ্রহ করতে পারবেন। সিম সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য গ্রামীণফোন ‘০১৩ নম্বর সিরিজ’ -এর জন্য বিটিআরসির কাছে ইতোমধ্যে আবেদন করেছে। আমরা আশাকরি গ্রাহকদের প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকারের কথা বিবেচনা করে বিটিআরসি আমাদের আবেদনের ইতিবাচক সাড়া দেবে।’

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।