মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

খালেদা জিয়া মিথ্যাচার করেছেন, দাবি হানিফের

শেয়ার করুন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ দাবি করেছেন, বেগম খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে ‘নির্লজ্জ মিথ্যাচার’ করেছেন।
শুক্রবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই। তাই বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ বা সমঝোতাও হবে না। দেশে এখন যা হচ্ছে তা কোনো রাজনৈতিক সংকট নয়, কিছু সহিংস কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। এইসব সহিংসতাকারীদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হতে পারে না।

হানিফ বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে নাশকতা সৃষ্টি করেন খালেদা। তার নির্দেশেই বিএনপি-জামায়াতসহ ২০ দলের ক্যাডাররা মানুষ হত্যা শুরু করে। এ সময় হামলা চালিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানও ধ্বংস করা হয়।
তিনি বলেন, কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ায় ওই সময় ১৪২জন সাধারণ মানুষকে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করেছে তারা। সহিংস কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল বিএনপি। এ অভিযোগে খালেদা জিয়াকে বিচারের মুখোমুখি করা যেতে পারে।

হানিফ অভিযোগ করেন, জামায়াত নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না বলেই খালেদাও ভোটে আসেননি। কারণ বিএনপি জামায়াত একে অপরের বন্ধু। বন্ধুকে ছাড়া খালেদা কীভাবে নির্বাচনে যাবেন?

গত ৫ জানুয়ারি দশম সংসদের বর্ষপূর্তির দিন রাজধানীতে সমাবেশ করতে না পেরে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থেকেই লাগাতার অবরোধের ডাক দেন খালেদা জিয়া। ৩ জানুয়ারি রাত থেকেই ওই কার্যালয়ে রয়েছেন তিনি। এরপর  লাগাতার অবারোধের পাশাপাশি দফায় দফায় দেশজুড়ে হরতালও আহ্বান করছে ২০ দলীয় জোট।

গত ১৯ জানুয়ারি এই কার্যালয়েই খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন। এরপর একাধিকবার দলের শীর্ষ নেতাদের মাধ্যমে বিবৃতি পাঠালেও তিনি সাংবাদিকদের সামনে আসেননি। অবশেষে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে এসে খালেদা জিয়া শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবাহান গোলাপ প্রমুখ।

শেয়ার করুন