১৮ জুন, ২০২৬ | ৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

কুতুবদিয়া বিএনপি নেতার দখল থেকে মুক্ত হলো স্কুল

দখলকুতুবদিয়ায় এক বিএনপি নেতার জবরদখল থেকে মুক্ত করা হয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দ্বীপের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের পূর্ব তাবলরচর রেড ক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি গত দেড় বছর ধরে দখলে রাখেন ওই নেতা।

কুতুবদিয়া দ্বীপের পূর্ব তাবলরচর গ্রামের বাসিন্দা আবু ইউসুফ নামের এই বিএনপি নেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটিরও সভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষ দখল করে এটি তাঁর ব্যবসায়িক গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা মারাত্মক ব্যাহত হয়।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুফিজুর রহমান জানান, পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিএনপি নেতা আবু ইউসুফ স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা। তিনি কয়েকটি নৌকার মালিক। তাঁর নৌকার জাল ও অন্যান্য সামগ্রী বিদ্যালয়ের কক্ষে মজুত করে রাখেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় আড়াই শ শিক্ষার্থী রয়েছে। এমনিতেই বিদ্যালয়ে কক্ষ সংকটের কারণে পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। এর ওপর কয়েকটি কক্ষ গুদাম হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে ওঠে। এ ব্যাপারে বার বার গুদাম খালি করার তাগিদও দেওয়া হয়েছে। তিনি এসব কথায় কর্ণপাত করেন না।

এ প্রসঙ্গে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর সালেহীন গাজী গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পড়ালেখা ব্যাহত হওয়ার কারণে আবু সৈয়দকে কয়েকবার নোটিশ দেওয়া হয়। এর পরেও তিনি মালামাল সরিয়ে নেননি। বরং গুদামটিতে আরো অতিরিক্ত মালামাল ভর্তি করে রাখেন তিনি।’ তিনি জানান, গতকাল বুধবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে গুদামের মালামাল ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্মুক্ত নিলাম দেওয়া হয়। এরপর বিদ্যালয়ের দখল করা কক্ষ খালি করে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সুত্র: কালেরকন্ঠ

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।