সাচ্চা দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। নড়াইলের এই ‘কুলম্যান’ ঠিকই যোগ্য নেতার আসনে ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছেন। কীভাবে দলের অন্যদের আগলে রাখতে হয় জানেন তিনি। খেলায় হার-জিতকে সহজ করে নিয়েছেন। খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য কাউকে দোষ না দিয়ে ঠিকই দায় নিয়েছেন ভাগাভাগি করে। আবার ভালোটাও ছড়িয়ে দিয়েছেন সবার মাঝে। শরীরটা একদম ফিট না। একাধিকবার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে অনুশীলন করতে গিয়ে আগের চোট লাগা কাঁধে আবার চোট পেয়েছেন। তাই বলে দায়িত্ব অবহেলা না করে সতীর্থদের মনোবল জোগাতে নেমেছেন মাঠে। বল হাতে চার ম্যাচে নিয়েছেন ছয় উইকেট। সেরাটা এক ম্যাচে ২০ রান বিলিয়ে তুলে নেওয়া ৩ উইকেট। ছেলের সম্পর্কে মাশরাফির মা ঠিকই বলেছিলেন, ‘আমার মাশরাফি খুবই শান্ত একটা ছেলে।’ দিনদিন মায়ের মুখ বড় করছেন তিনি।
বয়স হয়েছে। ক্যারিয়ারজুড়ে ছিল ইনজুরির সমস্যা। এখনও সেটা থেকে মুক্ত নন তিনি। তাই গতির সঙ্গে বোলিং হয়ত করতে পারেননি। কিন্তু নিশানা এবং ভেরিয়েশনগুলো ঠিকই করে দেখাচ্ছেন নড়াইল এক্সপ্রেস। তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো প্রয়োজনের সময় জ্বলে ওঠা। যখন ব্রেক থ্রু দরকার তখন তিনি কাজটা ঠিকই করে দেখান। তার মানবীয় গুণাবলীও ভালো। জন্ম ধনাঢ্য বড় পরিবারে। তাই স্বভাবে তার উদারতা। যে কারণে দলকে একত্রিত করার কাজ তিনিই ভালো করতে পারেন। তিনি দলের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। একজন অধিনায়কের এই গুণটা খুবই দরকার







