মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

কালারমারছড়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে চরম অনিয়ম,চলছে হরিলুট!

শেয়ার করুন


মহেশখালীর কালারমারছড়ায় সরকারে হতদরিদ্রদের জন্য গৃহীত কর্মসৃজন কর্মসুচীর উদ্যেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। ইউনিয়নের প্রকল্প সভাপতি হিসাবে ইউপি মেম্বাররা কাজের চেয়ে আত্মসাতের দিকে ঝুঁকছে বেশী। আর তাই প্রতি বছরের ন্যায় কাজ না করে ব্যাংকের লোকদের নিয়ে কাজের টাকা হরিলুটের চিন্তা করছে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। জানা যায়, কালারমারছড়া ইউনিয়নে ৮টি প্রকল্পের অধিনে ৩৯৫ জন শ্রমিক কাজ করছে। সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ করে একমাস পরপর ব্যাংক থেকে শ্রমিকরা টাকা উত্তোলন করবে ।
সরেজমিনে আরো জানা যায়, প্রতিবছর সপ্তাহে ২/৩দিন কাজ করে এবং অল্প সংখ্যক শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করে টেক অফিসার সহ সবাইকে ম্যানেজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করছে মেম্বাররা এমন অভিযোগ করেন স্থানিয় ইউনুছখালী গ্রামের আবু ছৈয়দ। নাম প্রকাশে অনেক শ্রমিক এর সত্যতা স্বীকর করে বলেন , সপ্তাহে ২/৩দিন কাজ করায়। এখন ২ সপ্তাহে মাত্র ৩ দিন কাজ করাইছে । গত বছর সব সময় তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর/টিপসহি নিয়ে মেম্বাররা ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে শ্রমিকদের মাসে ৮/১০ দিনের টাকা দেয়। কালারমারছড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার ইকবাল আব্দুল গফুর ও ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার মিনুয়ারা ছৈয়দ এর নেতৃত্বে এ হরিলুট চলে বলে জানান ঐ শ্রমিকরা ( নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রমিকদের কথার অডিও রেকর্ড প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে) ।
এর প্রমান মিলে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কালারমারছড়া ইউনিয়নের টেক অফিসার ও মহেশখালী উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা শামশুল আলম কুতুবী সরেজমিনে কাজ দেখতে গেলে তিনি ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল গফুরের প্রকল্পে কাজ বন্ধ পায় এবং আর সব প্রকল্পে অর্ধেকেরও কম শ্রমিক কাজে দেখতে পায়। এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন টেক অফিসার শামসুল আলমের সাথে মোবাইলে কথা হলে তিনি বলেন,২ নং ওয়ার্ডের কাজ বন্ধ ছিল সত্য যাহা ইউএনও মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে।
সব প্রকল্পে শ্রমিক উপস্থিতি কম দেখেছি। মোটামোটি কাজের মান সন্তোষ জনক নয় বলে স্বীকার করেন তিনি। আর টাকা উত্তোলনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি আগের বিষয়গুলো শুনেছেন বলে জানান এবং এখন ব্যাংক থেকে শ্রমিক ব্যাতিত কেউ টাকা তুলতে না পারে মতো ব্যাবস্থা নেওয়া হবে ,আর কোন ধরনের অনিয়মের সুযোগ নেই বলে জানান এ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন