মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম

কামারুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন

শেয়ার করুন

Kamaruzzaman

  মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জমানের দাফন রবিবার ভোর ৫টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে। কামারুজ্জামানকে শেরপুরের বাজিতখিলা গ্রামে তার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানার পাশে দাফন করা হয়েছে।তার ভাগ্নি জামাই মাওলানা আব্দুল হামিদ ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে তার জানাজা পড়ান। জানাজায় আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীসহ অর্ধশতাধিক লোক উপস্থিত ছিলেন। যদিও কোনো সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে পারেননি। সরকারের নির্দেশে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের আধা কিলোমিটার আগে বাজিতখিলা বাজারেই আটকে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শেরপুর সদর নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান হাবিব তার ছোট ভাই কফিল উদ্দিনকে ৪টা ২৫ মিনিটে কামারুজ্জামানের লাশ হস্তান্তর করেন।

জেলা প্রশাসক মো. জাকির হোসেন দ্য রিপোর্টকে এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে তার লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সটি শেরপুরে পৌঁছে। রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সটি শেরপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়।

এ্যাম্বুলেন্সের নিরাপত্তার জন্য আগে ও পেছনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর (র‌্যাব ও পুলিশ) ১০টি করে গাড়ি ছিল। গাড়ি বহরে একটি অতিরিক্ত এ্যাম্বুলেন্সও ছিল। দ্বিতীয় এ্যাম্বুলেন্সে (ঢাকা মেট্রো ছ-৭১-১২০৬) লাশটি বহন করা হচ্ছিল।

উল্লেখ্য, শনিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর করেন নির্ধারিত জল্লাদরা।

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘রাত সাড়ে ১০টায় ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। রাত ১০টা ১৮ মিনিটে ফাঁসির মঞ্চের কাছে যান প্রতিনিধি দল। এরপর ১০টা ৩০ মিনিটে কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।’

ঢাকা জেল সুপারের উপস্থিতিতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার হাতে থাকা লাল রুমাল মাটিতে ফেলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জল্লাদরা ফাঁসি কার্যকর করেন। এর আগে কামারুজ্জামানের মুখ কালো কাপড় ও মাথা কালো টুপি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। এরপর ফাঁসির দড়িটি তার গলার জড়িয়ে দেওয়া হয়।

ফাঁসির দড়িতে দীর্ঘক্ষণ ঝুলে থাকার পর কামারুজ্জামানের মৃত্যুর বিষয়ে মোটামুটি নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে দড়ি থেকে নামানো হয়। এরপর দায়িত্বরত সিভিল সার্জন আবদুল মালেক মৃধা ঘাড়, হাত ও পায়ের রগ কেটে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

শেয়ার করুন