মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

কক্সবাজার শহর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

শেয়ার করুন

11094304_668087593320458_521424885_o
গণহত্যা, গুম, গণগ্রেফতার বন্ধ, ২০দলের মুখপাত্র সালাহ উদ্দিন আহমদের সন্ধান ও মুক্তিদান এবং অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীতে জোট ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ করেছে কক্সবাজার শহর জামায়াত। ২৯ মার্চ রবিবার শহর জামায়াত-শিবির নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ২০ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের পরিকল্পিতভাবে বেছে বেছে হত্যা, গুম ও অপহরণ করছে এবং অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। আওয়ামী অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিরোধী দলের উপর জুলুম-নির্যাতন করে যাচ্ছে। তারা দেশে পুলিশি রাষ্ট্র কায়েম করেছে। সরকার মনে করেছে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে এবং রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন দমিয়ে দিবে। কিন্তু তাদের এ আশা পূরণ হয়নি বরং বুমেরাং হয়েছে। সরকারের সকল বাধা-নির্যাতন কে চ্যালেঞ্জ করে জনতা রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। গনতন্ত্র মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরোধ আন্দোলন চলিয়ে যাওয়ার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে, জোটের নেতা-কর্মীরা রাজপথে নেমে এসেছে। আর তাতেই অবৈধ সরকারের হৃদযে কাঁপুনি ধরে গেছে। জনতার শান্তিপূর্ণ আহ্বানকে দুর্বলতা মনে করেছিল কান্ডজ্ঞানহীণ সরকার। তাই এখন সময় এসেছে, দেশের সর্বস্থরের জনতাকে স্বৈরাচারি আওয়ামীলীগের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। আগামীতে জালিম সরকারের বিরুদ্ধে আরো দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার উদাত্ত আহবান জানান বক্তারা।

শেয়ার করুন