মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

কক্সবাজার ছাড়লো ওরা ৩৭ বাংলাদেশী

শেয়ার করুন

Coxs-37-Bangladeshi-ho-ther

যাচাই-বাছাইয়ের শেষে কক্সবাজার ছেড়েছে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৭ বাংলাদেশী। এদের মধ্যে চার শিশুকে রেড ক্রিসেন্টের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা আদালতে এ সব আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
এর আগে, শুক্রবার বিজিবি ও বিজিপি এর মধ্যকার এক পতাকা বৈঠকে শিশুসহ ওই ৩৭ বাংলাদেশী অভিবাসীকে ফেরত আনা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান আবুল হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত চার শিশুকে রেড ক্রিসেন্টের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। বাকি ৩৩ জনের নাম ঠিকানা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম’র সহযোগিতায় তাদেরকে স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঢেকুবনিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন এ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের মধ্যদিয়ে ৩৭ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে সন্ধ্যায় বিজিবি তাদের জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পুলিশ তাদের কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ডরমেটরিতে রাখে।
এর আগে ৮ জুন প্রথম দফায় ১৫০ জন বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়েছিল।

শেয়ার করুন