২০ এপ্রিল, ২০২৬ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

কক্সবাজারে ৩০ লাখ চারা রোপণ করবে বন বিভাগ

কক্সবাজারে রোপণ করা হবে ৩০ লাখ চারা

জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ, স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় কক্সবাজারে ৩০ লাখ চারা রোপণ করবে বন বিভাগ।

কক্সবাজার শহর থেকে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ পর্যন্ত এক হাজার ১৮৩ হেক্টর ন্যাড়া পাহাড়ে চারাগুলো রোপণ করা হবে। বর্তমানে চারাগুলোর উৎপাদন কাজ চলছে। রোপণ করা হবে মে মাসে।

কক্সবাজার (দক্ষিণ) বন বিভাগের কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল আওয়াল সরকার জানান, সদর উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, রামু উপজেলায় ৩৬০ হেক্টর, উখিয়া উপজেলায় ৩৩৩ হেক্টর ও সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ৩৯৫ হেক্টর ন্যাড়া পাহাড়ে চারাগুলো রোপণ করা হবে।

প্রতি হেক্টরে আড়াই হাজার চারা রোপণ করা হবে। বর্তমানে জেলার ২৫টি নার্সারিতে বিভিন্ন জাতের ৩০ লক্ষাধিক চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। চারা উৎপাদন, রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ সরকার, বিসিসিআরএফ ও বিশ্বব্যাংক জোগান দেবে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বলেন, মিয়ানমারের চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা উখিয়া ও টেকনাফের কয়েক হাজার একর সংরক্ষিত পাহাড় দখল করে একাধিক বস্তি তৈরি করেছে। জীবন-জীবিকার জন্য রোহিঙ্গারা বনের গাছ কেটে সাবাড় করছে। পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে ন্যাড়া পাহাড়গুলোয় সবুজ বনাঞ্চল সৃষ্টি জরুরি বলেও মুজিবুল হক মন্তব্য করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।