১৩ জুলাই, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৭ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

কক্সবাজারে ৩০ লাখ চারা রোপণ করবে বন বিভাগ

কক্সবাজারে রোপণ করা হবে ৩০ লাখ চারা

জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ, স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় কক্সবাজারে ৩০ লাখ চারা রোপণ করবে বন বিভাগ।

কক্সবাজার শহর থেকে সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ পর্যন্ত এক হাজার ১৮৩ হেক্টর ন্যাড়া পাহাড়ে চারাগুলো রোপণ করা হবে। বর্তমানে চারাগুলোর উৎপাদন কাজ চলছে। রোপণ করা হবে মে মাসে।

কক্সবাজার (দক্ষিণ) বন বিভাগের কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল আওয়াল সরকার জানান, সদর উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, রামু উপজেলায় ৩৬০ হেক্টর, উখিয়া উপজেলায় ৩৩৩ হেক্টর ও সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ৩৯৫ হেক্টর ন্যাড়া পাহাড়ে চারাগুলো রোপণ করা হবে।

প্রতি হেক্টরে আড়াই হাজার চারা রোপণ করা হবে। বর্তমানে জেলার ২৫টি নার্সারিতে বিভিন্ন জাতের ৩০ লক্ষাধিক চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। চারা উৎপাদন, রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অর্থ সরকার, বিসিসিআরএফ ও বিশ্বব্যাংক জোগান দেবে।

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক বলেন, মিয়ানমারের চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা উখিয়া ও টেকনাফের কয়েক হাজার একর সংরক্ষিত পাহাড় দখল করে একাধিক বস্তি তৈরি করেছে। জীবন-জীবিকার জন্য রোহিঙ্গারা বনের গাছ কেটে সাবাড় করছে। পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে ন্যাড়া পাহাড়গুলোয় সবুজ বনাঞ্চল সৃষ্টি জরুরি বলেও মুজিবুল হক মন্তব্য করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।