মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

কক্সবাজারে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

শেয়ার করুন


অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজার জেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে আছে কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ, পোকখালী, পিএমখালী’র গোমাতলী, চকরিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিগরপানখালী, নিচপানখালী ও খোয়াজনগর, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া, দক্ষিণপাড়া, মাঝেরপাড়া, চেয়ারম্যানপাড়া, খন্দকারপাড়া, মাতব্বরপাড়া ও বড়ুয়াপাড়ায় ঢলের পানি ঢুকে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট।

রামু উপজেলার ৪২ গ্রাম ও পেকেুয়ার ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়ও মাতামুহরি নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্র ও ইউপি ভবনে প্লাবিত এলাকার এসব লোকজন আশ্রয় নিয়েছে।

কাকারা ইউপির চেয়ারম্যান শওকত ওসমান বলেন, প্রপার কাকারার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে মাতামুহুরী নদীর ঢলের পানি ঢুকে আমার এলাকা বিভিন্ন জায়গায় তলীয়েগেছে। ঝুকিপূর্ণ
এলাকার মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হচ্ছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, প্লাবিত এলাকার লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উল করিম বলেন, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে যাঁদের বাড়িঘরে পানি ঢুকছে, তাঁদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন