২৫ জুন, ২০২৬ | ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৯ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

কক্সবাজারে মহিলা শ্রমিকের সোয়া ৪ লাখ টাকা আত্মসাত

 shomoy

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় পল্লী সড়ক রক্ষণা-বেক্ষণে নিয়োজিত হত দরিদ্র ১শ’ ১৬ জন মহিলা শ্রমিকের বেতনের সঞ্চয়কৃত সোয়া ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যোগসাজসে ২জন কর্মচারি নানা কৌশলে উক্ত টাকা আতœাসাত করেন। গত সপ্তাহে অর্থ কেলেংকারির ঘটনা ফাঁস হলে শ্রমিকদের মাঝে চরম আতংক বিরাজ করছে।

নির্ভরযোগ্য সুত্র মতে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কক্সবাজারস্থ নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুরুল আলম সিদ্দিকীর নির্দেশে রামু উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ৩০ মার্চ তদন্ত শুরু করলে অর্থ আতœাসাতের ঘটনা ফাঁস হয়। পল্লী সড়ক রক্ষণা-বেক্ষণ (আরএমপি) এবং রুলার এমপ্লয়মেন্ট এন্ড রোড ম্যানটেইনেন্স প্রোগ্রাম (আরই আরএমপি-২) এর আওতায় মহিলা শ্রমিকরা কাজ করেন। তাদের জনপ্রতি দৈনিক বেতন ১৫০ টাকা মজুরী থেকে নগদ ১শ’ টাকা পরিশোধ করা হয় এবং ৫০ টাকা হারে ব্যাংক হিসেবে জমা হওয়ার কথা। প্রকল্প শেষে সেই জমাকৃত টাকা শ্রমিকদের পরিশোধ করা হয়। কিন্তু উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের কার্য সহকারি ও প্রকল্পের কমিউনিটি অর্গানাইজার মাকসুদ আলম এবং সুপারভাইজার আবু তাহের নানা কৌশলে ব্যাংকে জমাকৃত প্রায় সোয়া ৪ লাখ টাকা উত্তোলন করে নেন। সোনালী ব্যাংক রামু শাখার সঞ্চয়ী একাউন্ট থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মহিলা শ্রমিকের ওই টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় বলে অভিযোগে দাবী করা হয়েছে।
২০১৩-১৪ এবং ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে এঘটনা ঘটে। অনুরুপভাবে ২০১২-১৩ অর্থ বছরেও একাধিক হত দরিদ্র মহিলা শ্রমিকের টাকা আতœাসাতের ঘটনায় অভিযুক্তরা পার পেয়ে যাওয়ায় তা পুর্ণরাবৃত্তি ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।
ওই সময় রাজারকুল ইউনিয়নের শ্রমিক রাবিয়া ব্যাংকে সঞ্চয়কৃত টাকা আতœাসাতের প্রতিবাদ করায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আরএমপি ও আরইআরএমপি-২ প্রকল্পে মহিলা শ্রমিক নিয়োগের সময়ও তাদের কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা হারে উৎকোচ আদায় করে। এছাড়া কার্যকালিন ৪ বছরের মধ্যে অনুপস্থিত শ্রমিকদের টিপসহি / স্বাক্ষর জাল করে প্রতিমাসে প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। সুপারভাইজার মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের কাজ দেখভাল না করে উপজেলা সদরে অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন বলে জানা গেছে।

এব্যাপারে প্রকল্পের সিও মাকসুদ আলমের সাথে আলাপ করা হলে তিনি অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবী করে জানান, ব্যাংক থেকে কিভাবে টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তা তদন্ত হচ্ছে। সুপারভাইজার আবু তাহের জানান, তারা নিয়ম মেনেই প্রকল্পে বাস্তবায়ন করছেন। ব্যাংকে সঞ্চয়কৃত টাকা আতœাসাতের সাথে তিনি জড়িত নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

 

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।