মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

কক্সবাজারে নিখোঁজ দুই শতাধিক জেলে

শেয়ার করুন

trolar_1বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট দমকা হাওয়ার কবলে পড়ে রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চারটি ট্রলার ডুবে গেছে। আরো ১০টি ট্রলার দেড় শতাধিক জেলে নিয়ে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। এদিকে গতকাল সোমবার থেকে কক্সবাজারের আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে ওঠেছে। সাগরও এখন শান্ত। তাই অনুকূল আবহাওয়ায় সাগরে আবারো মাছ ধরা শুরু হয়েছে। জেলা ট্রলার মালিক সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

কক্সবাজার জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির মতে, বঙ্গোপসাগরে দমকা হাওয়ার কবলে পড়ে রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চারটি ট্রলার ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারগুলো হল শহরের কুতুবদিয়াপাড়ার নুরুদ্দিনের মালিকানাধীন এফবি আকলিমা, মহেশখালীর ছৈয়দ নূর বহদ্দারের মালিকানাধীন এফবি আবছার, কুতুবদিয়ার রুস্তমের মালিকানাধীন এফবি আল্লাহর দান ও শহরের কলাতলীর ইউনুছের একটি ট্রলার। এসব ট্রলারের জেলেরা সাঁতার কেটে ও অন্য ট্রলারে ওঠে নিরাপদে কূলে পৌঁছেছে। তবে আরো ১০টি ট্রলার দেড় শতাধিক জেলে নিয়ে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ ট্রলারগুলো হল কক্সবাজার শহরের পেশকারপাড়ার ফজল কোম্পানীর মালিকানাধীন এফবি হাসান, মাহবুবুল হক মুকুলের মালিকানাধীন এফবি সেন্টমার্টিন, মাতারবাড়ির কামালের মালিকানাধীন এফবি সাজ্জাদ, মহেশখালীর গোলাম বারির মালিকানাধীন এফবি ভাই ভাই, ফারুকের মালিকানাধীন এফবি রইস উদ্দিন, শহরের এন্ডারসন রোডের আবুল হোসেনের মালিকানাধীন এফবি রেশমী ও শহরের কুতুবদিয়াপাড়ার আতিকউল্লাহ কোম্পানির মালিকানাধীন এফবি শাহ মজিদিয়া ও এবং জাকের উল্লাহ’র মালিকানাধীন এফবি ফাতেমা। এসব ট্রলারের প্রতিটিতে ১৬ জন থেকে ৩০ জন পর্যন্ত জেলে ছিল বলে জানান কক্সবাজার ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার মোস্তাক আহমদ।

তিনি জানান- নিখোঁজ ট্রলারসহ জেলেদের সন্ধানে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সাগরে ট্রলার পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সোমবার থেকে পূনরায় সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদেরকেও নিখোঁজদের ব্যাপারে সন্ধান দিতে বলা হয়েছে।

তিনি আরো জানান- নিম্নচাপ কেটে যাওয়ার পর সোমবার কয়েকশত ট্রলার পূনরায় সাগরে মাছ ধরতে গেছে। বাকী ট্রলারগুলোও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মাছ ধরতে যাবে।

শেয়ার করুন